জীবনবোধের কবিতা

কে তোমাকে চেনে? – পূর্ণেন্দু পত্রী

ডাইনিং টেবিলে বসে ব্রেকফাস্ট ডিনার খাচ্ছ রোজ। সে তোমাকে চেনে? যে খাট-পালঙ্গে শুয়ে স্বপ্নে তুমি চাঁদ সদাগর সে তোমাকে চেনে? যে আয়নাকে শরীরের সব তিল, সর্বস্ব দেখালে সে তোমাকে চেনে? যেন মেয়ে-দেখা, এত বেছে ঐ পর্দা কিনেছিলে ও তোমাকে চেনে?…

Read Moreকে তোমাকে চেনে? – পূর্ণেন্দু পত্রী

আছি – পূর্ণেন্দু পত্রী

সুখে আছি, দুখে আছি, নিজস্ব বুদবুদে ডুবে আছি পোয়াতি নারীর মতো গর্তে বহু স্বপনের ভ্রুণ নিয়ে আছি সধবার নিরস্তর ভয় পাছে মুছে যায় সিঁথি-শুকজতারা সে রকমই ভয়ে-ভয়ে ঘাসের ভিতরে পোকা-মাকড়ের সঙ্গী হয়ে আছি। পাখিরা রয়েছে সঙ্গে, রুমালের পাড়ে লাল সুতো,…

Read Moreআছি – পূর্ণেন্দু পত্রী

স্বপ্নের বিছানা – পূর্ণেন্দু পত্রী

রাত্রিবেলা বুকের মধ্যে একগোছা বৈদ্যুতিক তার আর নীল রঙের একটা বালব টাঙিয়ে রাখা ভালো। অন্ধকারে গায়ে নীল রঙের জামা পরিয়ে দিলে স্বপ্ন দেখার দরখা খুলে দেয় সে।   মানুষের নিত্যনৈমিত্তিক খাটে স্বপ্ন দেখার আলাদা কোনো বিছানা-বালিশ নেই। অবিকল স্বপ্নের মতো…

Read Moreস্বপ্নের বিছানা – পূর্ণেন্দু পত্রী

আরশিতে সর্বদা এক উজ্জল রমনী – পূর্ণেন্দু পত্রী

আরশিতে সর্বদা এক উজ্জল রমণী বসে থাকে। তার কোনো পরিচয়, পাসপোর্ট, বাড়ির ঠিকানা মানুষ পায়নি হাত পেতে।   অনুসন্ধানের লোভে মুলত সর্বতোভাবে তাকে পাবে বলে অনেক মোটর গাড়ি ছুটে গেছে পাহাড়ের ঢালু পথ চিরে অনেক মোটর গাড়ি চুরমার ভেঙে গেছে…

Read Moreআরশিতে সর্বদা এক উজ্জল রমনী – পূর্ণেন্দু পত্রী

মানুষের কেউ কেউ – পূর্ণেন্দু পত্রী

সবাই মানুষ থাকবে না। মানুষের কেউ কেউ ঢেউ হবে, কেউ কেউ নদী প্রকাশ্যে যে ভাঙে ও ভাসায়। সমুদ্র সদৃশ কেউ, ভয়ঙ্কর তথাপি সুন্দর। কেউ কেউ সমুদ্রের গর্ভজাত উচ্ছৃঙ্খল মাছ।   কেউ নবপল্লবের শুচ্ছ, কেউ দীর্ঘবাহু গাছ। সকলেই গাছ নয়, কেউ…

Read Moreমানুষের কেউ কেউ – পূর্ণেন্দু পত্রী

প্রশ্ন – পূর্ণেন্দু পত্রী

ছটাক খানেক বুকে, একটা গোটা আকাশ এবং জলের স্থলের গা ভর্তি রং সব পড়েছে ঝুঁকে। কাকে কোথায় রাখি? বুকের মধ্যে হেসে উঠল শিকল-পরা পাখি।

Read Moreপ্রশ্ন – পূর্ণেন্দু পত্রী