পূর্ণেন্দু পত্রী

কেবল আমি হাত বাড়ালেই – পূর্ণেন্দু পত্রী

হাওয়া তোমার আঁচল নিয়ে ধিঙ্গীনাচন করলো খেলা সকাল বিকেল সন্ধেবেলা চোখের খিদের আশ মেটালো লস্পটে রোদ রাস্তা ঘাটে যখন হাঁটো সঙ্গে হাঁটে বনের পথে হাঁটলে যখন কাঁটাগাছে টানলে কাপড় চ্যাংড়া ছোঁড়ার ফাজলামিকে ভেবেছিলাম মারবে থাপড়। একটা নদীর লক্ষটা হাত, ভাসিয়ে…

Read Moreকেবল আমি হাত বাড়ালেই – পূর্ণেন্দু পত্রী

রামকিস্কর – পূর্ণেন্দু পত্রী

খানিকটা পাথর দাও আর একটু বুক-খোলা মাঠ হে কলকাতা, হে আমার রুগ্ন জীর্ণ মুহ্যমান শিল্পের সম্রাট রক্তে নাচে ছেণী বাতাসে উড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করে যুবতীর বেপরোয়া বেশী কিংবা কারো কালো চুলে অকষ্মাৎ কালবৈশাখী একটু পাথর পেলে আঁকি মেঘ কিংবা ঝড়…

Read Moreরামকিস্কর – পূর্ণেন্দু পত্রী

আরশিতে সর্বদা এক উজ্জল রমনী – পূর্ণেন্দু পত্রী

আরশিতে সর্বদা এক উজ্জল রমণী বসে থাকে। তার কোনো পরিচয়, পাসপোর্ট, বাড়ির ঠিকানা মানুষ পায়নি হাত পেতে।   অনুসন্ধানের লোভে মুলত সর্বতোভাবে তাকে পাবে বলে অনেক মোটর গাড়ি ছুটে গেছে পাহাড়ের ঢালু পথ চিরে অনেক মোটর গাড়ি চুরমার ভেঙে গেছে…

Read Moreআরশিতে সর্বদা এক উজ্জল রমনী – পূর্ণেন্দু পত্রী

মানুষের কেউ কেউ – পূর্ণেন্দু পত্রী

সবাই মানুষ থাকবে না। মানুষের কেউ কেউ ঢেউ হবে, কেউ কেউ নদী প্রকাশ্যে যে ভাঙে ও ভাসায়। সমুদ্র সদৃশ কেউ, ভয়ঙ্কর তথাপি সুন্দর। কেউ কেউ সমুদ্রের গর্ভজাত উচ্ছৃঙ্খল মাছ।   কেউ নবপল্লবের শুচ্ছ, কেউ দীর্ঘবাহু গাছ। সকলেই গাছ নয়, কেউ…

Read Moreমানুষের কেউ কেউ – পূর্ণেন্দু পত্রী

প্রশ্ন – পূর্ণেন্দু পত্রী

ছটাক খানেক বুকে, একটা গোটা আকাশ এবং জলের স্থলের গা ভর্তি রং সব পড়েছে ঝুঁকে। কাকে কোথায় রাখি? বুকের মধ্যে হেসে উঠল শিকল-পরা পাখি।

Read Moreপ্রশ্ন – পূর্ণেন্দু পত্রী

কেউ ভাল না বাসলে – পূর্ণেন্দু পত্রী

কেউ ভাল না বাসলে আর লিখব না কবিতা। কত ভালবাসা ছিল বাল্যকালে। পুকুর ভর্তি এলোচুলের ঢেউ কলমীলতায় কত আলপনা কত লাজুক মুখের শালুক যেন সারবন্দী বাসরঘরের বৌ। এক একটা দুপুর যেন রূপসীর আদুল গা রাত্রি কারো চিকন চোখের ইশারা।  …

Read Moreকেউ ভাল না বাসলে – পূর্ণেন্দু পত্রী