পূর্ণেন্দু পত্রী

স্বপ্নের বিছানা – পূর্ণেন্দু পত্রী

রাত্রিবেলা বুকের মধ্যে একগোছা বৈদ্যুতিক তার আর নীল রঙের একটা বালব টাঙিয়ে রাখা ভালো। অন্ধকারে গায়ে নীল রঙের জামা পরিয়ে দিলে স্বপ্ন দেখার দরখা খুলে দেয় সে।   মানুষের নিত্যনৈমিত্তিক খাটে স্বপ্ন দেখার আলাদা কোনো বিছানা-বালিশ নেই। অবিকল স্বপ্নের মতো…

Read Moreস্বপ্নের বিছানা – পূর্ণেন্দু পত্রী

পাওয়া না-পাওয়ার কানামাছি – পূর্ণেন্দু পত্রী

রঙীন রুমালে চোখ দুটো বাঁধা নিজের সঙ্গে নিজের অষ্টপ্রহর- কানামাছি খেলা ভারী চমৎকার ধাঁধা। যাকে ছোঁবার তাকে না ছুঁয়ে আকাশ ধরতে হাত বাড়িয়ে আমি ধুলো মাটির ভূয়ে। হাত বাড়ালে হাতে জলের বদলে শামুক অথচ ভেতরটা পরাগসুদ্ধ ফুলের জন্যে আপাদমস্তক কামুক।…

Read Moreপাওয়া না-পাওয়ার কানামাছি – পূর্ণেন্দু পত্রী

জনৈক ক্ষিপ্তের উক্তি – পূর্ণেন্দু পত্রী

এই তো আমার ক্ষিপ্ত হবার সময় এলো।   মুঠোখানেক বৃষ্টি নিয়ে রোদকে ছুঁড়ে মারতে পারি গঙ্গাজলকে বলতে পারি, সরে দাড়াঁও, ওপার যাবো। ও কলকাতা হে কলকাতা নেয়াপাতি ডাবের মাথা সবকটাকে ঝুনো করে উকুন দিয়ে চষতে পারি।   এই তো আমার…

Read Moreজনৈক ক্ষিপ্তের উক্তি – পূর্ণেন্দু পত্রী

ক্রেমলিনে হঠাৎ বৃষ্টি – পূর্ণেন্দু পত্রী

অপর দেশের রোদে ভেসে আছি বিহ্বল বাতাসে অকস্মাৎ ক্রেমলিনের চুড়ো থেকে বৃষ্টি ছুটে আসে। সুতীব্র শীতের ঢাল, শত শত তীর, পথে হঠাৎ ঘেরাও। কে তুমি হে? কোন দেশী? জারের প্রাসাদ ভেঙে কোথা যেতে চায়? আমি গুপ্তচর নই, বৃষ্টিকে বোঝাই কানে…

Read Moreক্রেমলিনে হঠাৎ বৃষ্টি – পূর্ণেন্দু পত্রী

তাজমহল ১৯৭৫ – পূর্ণেন্দু পত্রী

বহুদিন একভাবে শুয়ে আছো, ভারতসম্রাট। বহুদিন মণিমুক্তো, মহফিল, তাজা ঘোড়া, তরুণ গোলাপ এবং স্থাপত্য নিয়ে ভাঙাগড়া সব ভুলে আছো। সর্বান্তঃকরণ প্রেম, যা তোমার সর্বোচ্ছ মুকুট, তাও ভুলে গেছো নাকি? পাথরের ঢাকনা খুলে কখনো কি পাশে এসে মমতাজ বসে কোনোদিন? সুগন্ধী…

Read Moreতাজমহল ১৯৭৫ – পূর্ণেন্দু পত্রী

তুমি এলে (তুমি এলে সূর্যোদয় হয়) – পূর্ণেন্দু পত্রী

তুমি এলে সূর্যোদয় হয়। পাখি জাগে সমুদ্রের ঘাটে গন্ধের বাসরঘর জেগে ওঠে উদাসীন ঘাসের প্রান্তরে হাড়ের শুষ্কতা, ভাঙা হাটে।   তুমি এলে চাঁদ ওঠে চোখে সুস্বাদু ফলের মতো পেকে পরিপূর্ণ হয় ইচ্ছা, প্রলোভন, ঘরের দেয়াল ভেঙে ঘরে ঢুকে পড়ে দুর…

Read Moreতুমি এলে (তুমি এলে সূর্যোদয় হয়) – পূর্ণেন্দু পত্রী