রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Viruta kobita Rabindranath Tagore ভীরুতা কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  গভীর সুরে গভীর কথা শুনিয়ে দিতে তোরে সাহস নাহি পাই।   মনে মনে হাসবি কিনা বুঝব কেমন করে? আপনি হেসে তাই শুনিয়ে দিয়ে যাই—   ঠাট্টা করে ওড়াই সখী, নিজের কথাটাই।   হাল্কা তুমি কর পাছে হাল্কা করি ভাই,…

Read MoreViruta kobita Rabindranath Tagore ভীরুতা কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Chitto tomay nitto hobe চিত্ত তোমায় নিত্য হবে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  আমার      চিত্ত তোমায় নিত্য হবে      সত্য হবে— ওগো      সত্য, আমার এখন সুদিন।      ঘটবে কবে। সত্য সত্য সত্য জপি, সকল বুদ্ধি সত্যে সঁপি, সীমার বাঁধন পেরিয়ে যাব      নিখিল ভবে— সত্য…

Read MoreChitto tomay nitto hobe চিত্ত তোমায় নিত্য হবে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Har mana haar porabo tomar gole হার-মানা হার পরাব তোমার গলে

    হার-মানা হার পরাব তোমার গলে— দূরে রব কত আপন বলের ছলে। জানি আমি জানি ভেসে যাবে আভিমান— নিবিড় ব্যথায় ফাটিয়া পড়িবে প্রাণ, শূন্য হিঁয়ার বাঁশিতে বাজিবে গান, পাষাণ তখন গলিবে নয়নজলে।   শতদলদল খুলে যাবে থরে থরে, লুকানো…

Read MoreHar mana haar porabo tomar gole হার-মানা হার পরাব তোমার গলে

Atit (Kotha kou anadi atit) অতীত (কথা কও, অনাদি অতীত) কবিতা

  কথা কও, কথা কও। অনাদি অতীত, অনন্ত রাতে কেন বসে চেয়ে রও? কথা কও, কথা কও। যুগযুগান্ত ঢালে তার কথা তোমার সাগরতলে, কত জীবনের কত ধারা এসে মিশায় তোমার জলে। সেথা এসে তার স্রোত নাহি আর, কলকল ভাষ নীরব…

Read MoreAtit (Kotha kou anadi atit) অতীত (কথা কও, অনাদি অতীত) কবিতা

Vabna niye moris keno khepe ভাবনা নিয়ে মরিস কেন খেপে

  ভাবনা নিয়ে মরিস কেন খেপে। দুঃখ-সুখের লীলা ভাবিস এ কি রইবে বক্ষে চেপে জগদ্দলন-শিলা। চলেছিস রে চলাচলের পথে কোন্‌ সারথির উধাও মনোরথে? নিমেষতরে যুগে যুগান্তরে দিবে না রাশ-ঢিলা।   শিশু হয়ে এলি মায়ের কোলে, সেদিন গেল ভেসে। যৌবনেরি বিষম…

Read MoreVabna niye moris keno khepe ভাবনা নিয়ে মরিস কেন খেপে

তোমারে কি বারবার করেছিনু অপমান – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

  তোমারে কি বারবার করেছিনু অপমান। এসেছিলে গেয়ে গান      ভোরবেলা; ঘুম ভাঙাইলে ব’লে মেরেছিনু ঢেলা      বাতায়ন হতে, পরক্ষণে কোথা তুমি লুকাইলে জনতার স্রোতে।      ক্ষুধিত দরিদ্রসম মধ্যাহ্নে, এসেছে দ্বারে মম। ভেবেছিনু, এ কী দায়, কাজের…

Read Moreতোমারে কি বারবার করেছিনু অপমান – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর