রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মেঘের পরে মেঘ জমেছে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মেঘের ‘পরে মেঘ জমেছে, আঁধার করে আসে। আমায় কেন বসিয়ে রাখ একা দ্বারের পাশে। কাজের দিনে নানা কাজে থাকি নানা লোকের মাঝে, আজ আমি যে বসে আছি তোমারি আশ্বাসে॥ তুমি যদি না দেখা দাও, কর আমায় হেলা, কেমন করে কাটে…

Read Moreমেঘের পরে মেঘ জমেছে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে যত দূরে আমি যাই কোথাও দুঃখ কোথাও মৃত্যু কোথা বিচ্ছেদ নাই। মৃত্যু সে ধরে মৃত্যুর রূপ, দুঃখ সে হয় দুঃখের কূপ তোমা হতে যবে স্বতন্ত্র হয়ে আপনার পানে চাই। হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে যাহা-কিছুসব আছে…

Read Moreতোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

আমার যাবার বেলাতে সবাই জয়ধ্বনি কর – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আমার যাবার বেলাতে           সবাই জয়ধ্বনি কর্‌।               ভোরের আকাশ রাঙা হল রে,           আমার পথ হল সুন্দর ॥ কী নিয়ে বা যাব সেথা ওগো তোরা…

Read Moreআমার যাবার বেলাতে সবাই জয়ধ্বনি কর – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

উদ্বোধন (ক্ষণিকা – কাব্যগ্রন্থ) কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শুধু অকারণ পুলকে ক্ষণিকের গান গা রে আজি প্রাণ ক্ষণিক দিনের আলোকে যারা আসে যায়, হাসে আর চায়, পশ্চাতে যারা ফিরে না তাকায়, নেচে ছুটে ধায়, কথা না শুধায়, ফুটে আর টুটে পলকে– তাহাদেরি গান গা রে আজি প্রাণ ক্ষণিক…

Read Moreউদ্বোধন (ক্ষণিকা – কাব্যগ্রন্থ) কবিতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

জন্মদিন (কবিতা) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

দৃষ্টিজালে জড়ায় ওকে হাজারখানা চোখ, ধ্বনির ঝড়ে বিপন্ন ঐ লোক। জন্মদিনের মুখর তিথি যারা ভুলেই থাকে, দোহাই ওগো, তাদের দলে লও এ মানুষটাকে, সজ্‌নে পাতার মতো যাদের হাল্‌কা পরিচয়, দুলুক খসুক শব্দ নাহি হয়।   সবার মাঝে পৃথক ও যে…

Read Moreজন্মদিন (কবিতা) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মায়া কবিতা (কাব্যগ্রন্থ- মানসী) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বৃথা এ বিড়ম্বনা। কিসের লাগিয়া এতই তিয়াষ, কেন এত যন্ত্রণা! ছায়ার মতন ভেসে চলে যায় দরশন পরশন, এই যদি পাই এই ভুলে যাই— তৃপ্তি না মানে মন। কত বার আসে, কত বার ভাসে, মিশে যায় কত বার— পেলেও যেমন না…

Read Moreমায়া কবিতা (কাব্যগ্রন্থ- মানসী) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর