ছোটদের আবৃত্তির কবিতা

কাকতালীয় — অন্নদাশঙ্কর রায়

গাছ ছিল ডাল ছিল কাক ছিল তাল ছিল কাক বলে, কা কা পড়ে যা! পড়ে যা! ঢিপ করে তাল গেল পড়ে। কাকের কী কেরামতি সবাই অবাক অতি ডাক ছেড়ে কাকটাই তালটাকে ধরাশায়ী করল কী মন্ত্রের জোরে! তাল ছিল লাল ছিল…

Read Moreকাকতালীয় — অন্নদাশঙ্কর রায়

চাল না পেলে — অন্নদাশঙ্কর রায়

বাড়ী যদি বর্ধমান খাবেন সুখে মর্তমান। বাড়ী যদি হুগলী খাবেন সুখে গুগলী। বাড়ী যদি কলকাতা খাবেন সুখে ওলপাতা। বাড়ী যদি হাবড়া মনের সুখে খা বড়া। বাড়ী কি মেদিনীপুর ? খাবেন সুখে তালের গুড়। বাড়ী যদি বাঁকড়া খাবেন সুখে কাঁকড়া। বাড়ী…

Read Moreচাল না পেলে — অন্নদাশঙ্কর রায়

পণ — অন্নদাশঙ্কর রায়

করেছি পণ, নেব না পণ বৌ যদি হয় সুন্দরী। কিন্তু আমায় বলতে হবে স্বর্ণ দেবে কয় ভরি। স্যাকরা ডেকে দেখবো নিজে আসল কিংবা কম্ দরী। সোনায় হবে সোহাগা যে বৌ যদি হয় সুন্দরী। তোমরা সবে সুধাও তবে— আমিই বা কোন…

Read Moreপণ — অন্নদাশঙ্কর রায়

শুভমকে — দেবেশ ঠাকুর

জানিস শুভম,কাল রাত্তিরে মা আমাকে খেতে দেয়নি, ঋতব্রতর থেকে তিন নম্বর কম পেয়ে আমি সেকেন্ড হয়েছি বলে মার্কশিট নিয়ে বাড়িতে ঢুকতেই মা একচোট নিয়ে নিল, বাঁদরের বাচ্চা,শুয়োরের ঝাড় এবারও সেকেন্ড! মার্কশিট গুটিয়ে মুড়ে বকে বকে ফেলে দিল প্রেসার কুকার গালে…

Read Moreশুভমকে — দেবেশ ঠাকুর

স্বপ্নচুরি — দেবেশ ঠাকুর

মুখটি এমন গোমড়া কেন       কি হয়েছে সোনা? ঘুম হয়নি কেউ বকেছে?     মশার আনাগোনা? খাটের থেকে নামতে গিয়ে     মচকালো ডান পা কি? পড়তে তুমি বসোনি   তাই বকেছে বৈশাখী? ঝলমলে এই সকালবেলা  মেঘ কেন…

Read Moreস্বপ্নচুরি — দেবেশ ঠাকুর

জালা-কুঁজো সংবাদ — সুকুমার রায়

পেটমোটা জালা কয়, “হেসে আমি মরিরে কুঁজো তোর হেন গলা এতটুকু শরীরে!” কুঁজো কয়, “কথা কস্ আপনাকে না চিনে, ভুঁড়িখানা দেখে তোর কেঁদে আর বাঁচিনে।” জালা কয়, “সাগরের মাপে গড়া বপুখান, ডুবুরিরা কত তোলে তবু জল অফুরান।” কুঁজো কয়, “ভালো…

Read Moreজালা-কুঁজো সংবাদ — সুকুমার রায়