“নন্দিনী । পাগল, যখন তুমি গান কর তখন কেবল আমার মনে
হয়, অনেক তোমার পাওনা ছিল কিন্তু কিছু তোমাকে দিতে
পারিনি।
বিশু । তোর সেই কিছু-না-দেওয়া আমি কপালে পরে চলে যাব।
অল্প-কিছু-দেওয়ার দামে আমার গান বিক্রি করব না। ”
সমস্ত না-পাওয়া আমি নিলাম দু’হাতে ।
দ্যাখো, আর জায়গা নেই হাতে ।
তুমি এসো অন্যদিন, অন্য কোনো লোক লিখবে সব।
আমি তো জীবিকাবদ্ধ, আমি তো সংসারবদ্ধ শব।
একদিন, কারো হাত ধ’রে, এই সোনার নগরে
এসেছি, এখন আর ফেরার উপায় নেই ঘরে !
আজ যে-খুপরিতে ফিরব, ছেলেমেয়ে মুখ চেয়ে আছে।
আর দেখা হতে নেই — আমাদের আসতে নেই কাছে।
সেই যে রত্নাকর ছিল, দস্যুতা জীবিকা ছিল তার।
আমার জীবিকা শব্দ। ‘প্রেম’ ছাড়া শব্দ আছে আর ?
যে-প্রেমে দু-চার পঙক্তি… এর বেশি অন্যায় করিনি।
রঞ্জন তোমার, জানি, এ-লেখাও তোমারই, নন্দিনী !
