প্রেম হলে সরে যাওয়া যায়,
কারণ প্রতিটি প্রেমের আয়ু ক্ষণস্থায়ী হয়,
প্রত্যাখ্যানে সরা যায় না,
দ্বিগুণ জোরের সঙ্গে মন বলে,আমি থাকবোই!
এটা কি নারীর জেদ?
অকারণ নিজেকে পীড়ন?
এটা কি খেয়ার নায়ে পাল তুলে উল্টোদিকে গিয়ে
ভাঙা প্রাচীরের বুকের শিশু বটগাছে জল দেওয়া?
কী হবে সজল করে ওকে?
কদিন পরেই ওকে উপড়ে দেবে কেউ!
তবু,জল আর জল আর জল,
পুরুষের দেহের জল ধাতুর মধ্যাহ্নে বাঁধা গান,
আমি তো গোধূলি মাত্র,
বিশদ-শয়ান ছাড়া যমুনা বুঝি না!
তুমি আশ্চর্য মানুষ!
নাও বেয়ে যাও,নিশ্চুপ,
ঢেউয়ের ঝাপটা এলে সরে বসো,
মুছে নাও বুক!
ও ঢেউ আমার ছিল,
তুমি জানতে,
মুখে কিছু বলনি বিশেষ,
শুধু আস্তে করে মুছে নিয়েছ।
আমিও দ্বিগুণ জোরে আবার আবার ঢেউ হয়ে
ঝড় তুলে ভাবি,গোটা নৌকাসুদ্ধ ডোবাবো এবার!
পারি না!
প্রত্যাখ্যান-কাতর তোমার সুদূরস্পর্শী চোখ,
বুকের অসীম লোমাবলী,
পায়ের দ্বিতীয় আঙুলখানি বুড়ো আঙুলের চেয়ে বড়,
কী রকম একা একা যেন,
বহু কিছু পাবার পরেও কিছুতে তোমার মন নেই,
কষ্ট হয়,ঢেউ সামলে বসি,
আমার জলের রশি তোমার চেয়ে তো বড় নয়!
তবু প্রেমে যে বিদায় থাকে,
প্রত্যাখ্যানে তা কেন থাকে না?
