শ্বেতা চক্রবর্তী

দিনগত — শ্বেতা চক্রবর্তী

তোমার চশমার কাঁচ মুছে দিতে যতক্ষণ লেগেছে সময়, সেসময় ব‍্যাখ‍্যা করেছিলে— প্রেমিকার চেয়ে আমি বউ হতে পারতাম বেশি, গজলের চেয়ে বেশি রবীন্দ্রসঙ্গীত; হতে পারে। এসব যন্ত্রণা ঢেকে বুকে বলেছি —বাড়িতে যাও, বউ বসে আছে, প্রতিদিন আসো তুমি, আমার সন্ধ‍্যের গন্ধ…

Read Moreদিনগত — শ্বেতা চক্রবর্তী

জন্মাষ্টমী — শ্বেতা চক্রবর্তী

যমুনার তীরের ষোলোশো গোপিনী সঙ্গে তুমি খেলায় মেতেছিলে, আমি চারুমতি,বাবা, কী যে মনোহর কর্পূরবাসে আমোদিত ছিল চারদিক, তোমার শরীরে চন্দনবন,তাদের শরীর রজনীগন্ধা সার, শাম্ব ভাইটি অপলক হয়ে দেখছিল আর কবিতায় ডুবে লিখছিল কত কিছু…   তুমি শুধু তবু একজনকেই মালা…

Read Moreজন্মাষ্টমী — শ্বেতা চক্রবর্তী

ভাদ্র — শ্বেতা চক্রবর্তী 

ভাদ্র মানেই ওই সর্পগন্ধা মেয়েটি ঝোপঝাড় ডিঙিয়ে এবার গরুবাথানে পৌঁছবে.. ওখানে অন্ধকারে বাছুরের গান বাজে.. একটু আগেই বিকেল পাঁচটায় একটা দেবতারঙের আলো ওকে বলেছিল,বাড়ি থেকে না বেরলে ভুবন দেখা হবে না!   ও সমস্ত সাপের গন্ধ নিয়েই জড়িয়ে ধরেছিল গোয়ালের…

Read Moreভাদ্র — শ্বেতা চক্রবর্তী 

নিষ্প্রেম — শ্বেতা চক্রবর্তী 

প্রেম হলে সরে যাওয়া যায়, কারণ প্রতিটি প্রেমের আয়ু ক্ষণস্থায়ী হয়, প্রত্যাখ্যানে সরা যায় না, দ্বিগুণ জোরের সঙ্গে মন বলে,আমি থাকবোই!   এটা কি নারীর জেদ? অকারণ নিজেকে পীড়ন? এটা কি খেয়ার নায়ে পাল তুলে উল্টোদিকে গিয়ে ভাঙা প্রাচীরের বুকের…

Read Moreনিষ্প্রেম — শ্বেতা চক্রবর্তী 

রতি — শ্বেতা চক্রবর্তী 

নিজেকে শ্রদ্ধা করতে আমি পরি গাঢ় রঙের শাড়ি, ঠোঁটে দিই বাঁধভাঙা লিপস্টিক, নিজেকে শ্রদ্ধা করতে আমি দুচোখে কাজল লেপি যেন অশোকগাছের কাণ্ড এফোঁড় ওফোঁড় করে চলে গেল বিষ্ণুচরণের দামাল তিরটি, একটুও কি কষ্ট হয় নি গাছের? আমারই মতন?   নিজেকে…

Read Moreরতি — শ্বেতা চক্রবর্তী 

স্বেচ্ছাবৃত — শ্বেতা চক্রবর্তী

বেশি ভালোবাসিও না! এত বেশি! বেশি ভালোবাসলেই আমি পেগলে যাই! তখন তোমার সন্ধ্যায় আমি ছাড়া আর কিচ্ছু থাকবে না! আমি এবং আমি! মানে আমি নামে নারীটিই! তার বাদে নারী পোকাটিও পারবে না আমার চোখ এড়িয়ে তোমার বুকে বসতে!   জানি…

Read Moreস্বেচ্ছাবৃত — শ্বেতা চক্রবর্তী