ছুটি — আরণ্যক বসু
যদি হাতের রেখার মতো ফুটে উঠে চোখের সামনে দাঁড়াতে আমি আঁকতাম মুখ দুঃখী চিবুক উন্মুখ রঙ তূলিতে । যদি চলে যেতে যেতে চিরকুট লিখে বলে যেতে ভালো থাকবো আমি দিবস রজনী বিরতি বিহীন কাঁদতাম শুধু কাঁদতাম । যদি হারাবার আগে…
যদি হাতের রেখার মতো ফুটে উঠে চোখের সামনে দাঁড়াতে আমি আঁকতাম মুখ দুঃখী চিবুক উন্মুখ রঙ তূলিতে । যদি চলে যেতে যেতে চিরকুট লিখে বলে যেতে ভালো থাকবো আমি দিবস রজনী বিরতি বিহীন কাঁদতাম শুধু কাঁদতাম । যদি হারাবার আগে…
প্রতিটি কমলা রঙের ভােরে, তােমার চোখের পাতায় তিনটি চুম্বন দিলে, বিশ্বাস করাে, শিউলির গন্ধ পাই! ভােরের ওই আশ্চর্য সময়টুকুই তাই বেছে নিই, শুধু আশ্বিন নয়, সারাবছর, সারাজীবন তােমার স্বপ্ন-আঁখিপল্লবে শিউলি ফোটে, ঝরে, ফোটে… ভাগ্যিস, তুমি জানতেও পারাে না! …
এই, তাের সব আঙুলগুলাে বাড়িয়ে দিবি? চিবুকের বিষন্নতা, দিবি? চোখের পাতায় যে নক্ষত্রজল মুক্তো হয়ে গেল! যে-কথা বলতে পারলি না, দিবি? চৈত্রের ঝরা পাতা ঠোটদুটো, দিবি? বিনিময়ে ব্যর্থ কবিতা দেবাে, নিবি না! তাের বুকের উঠোনে কলাপাতা থেকে খুঁটে ফ্যানভাত…
আজকে আমি তােমার জন্য পাগল হবাে। সম্পূর্ণ নতুন লুকে- তুমি শুধুই আমার জন্য সাজবে-গুজবে। সাদা খােলের অঞ্জলিতে, ঘাের সন্ধ্যার জমকালােতে, তােমার জন্য নতুন করে ফিদা হবাে মাঝতিরিশে! চালচুলাে আর একঘেয়েমির জীবনধারণ তুচ্ছ করে, আজকে আমরা প্যান্ডেলে আর পাপড়িচাটে, ক্লান্ত হলে…
পঞ্চমীর বাপের বাড়ির শিউলি ব্যালকনিতে একরাশ সুন্দরী আঁধার হয়ে বসে ছিলাম রে… নির্জন। গেলে দেখা হবেই ভেবে, যাইনি মেয়েবেলার অগােছালাে প্যান্ডেলের জলসায়। তাতে কি রক্ষা আছে? তুই তাে চুপ করে থাকা শিখিসনি ছােট্টবেলার নির্জন বন্ধু আমার! কে তােকে ভাঙা-ভাঙা…
তােমাকে বলেছিলাম কোজাগরীর চাঁদ চোরাগােপ্তা মেঘের কোঁচকানাে ভুরু সহ্য করবে না দেখলে, মিলে গেল! ঠিক পাঁচটায় কেমন ঝাঁটপাট দেওয়া তকতকে আকাশের উঠোন যেন উপবাসসুন্দর একটি মেয়ে একমনে এঁকে যাবে মা-লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ তরপরেই, পশ্চিমে যাই যাই সুয্যি আর, পুবে,…