স্বপ্নচুরি — দেবেশ ঠাকুর
মুখটি এমন গোমড়া কেন কি হয়েছে সোনা? ঘুম হয়নি কেউ বকেছে? মশার আনাগোনা? খাটের থেকে নামতে গিয়ে মচকালো ডান পা কি? পড়তে তুমি বসোনি তাই বকেছে বৈশাখী? ঝলমলে এই সকালবেলা মেঘ কেন…
মুখটি এমন গোমড়া কেন কি হয়েছে সোনা? ঘুম হয়নি কেউ বকেছে? মশার আনাগোনা? খাটের থেকে নামতে গিয়ে মচকালো ডান পা কি? পড়তে তুমি বসোনি তাই বকেছে বৈশাখী? ঝলমলে এই সকালবেলা মেঘ কেন…
তোমার শরীরের ময়নাতদন্ত করতে দেননি মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ – তোমার জাঁদরেল শ্বশুরমশাই পাছে কাটা ছেড়া করলে সত্যটা বেরিয়ে পড়ে- বেরিয়ে পড়ে ঠাকুরবাড়ির সবচেয়ে উপেক্ষিতা নারী আর উপেক্ষিত পুরুষটির ভালবাসার হৃদয়পদ্ম! ঠাকুরবাড়ির বাজার সরকারের মেয়ে বংশ, সম্মান, গাঁই, গোত্র, কৌলীন্য-কিছুতেই মেলে…
ভারতবর্ষ মানে কোন আর্ট পেপারে আঁকা জলরঙের মানচিত্র নয় ভারতবর্ষ মানে শুধু হর্ষবর্ধন কিংবা বাবরের বিজয়বার্তা নয় ভারতবর্ষ মানে বিজয়সিংহের সিংহল জয়ের ফ্যাসিষ্ট গৌরবগাথা নয় ভারতবর্ষ মানে শুধু মীনাক্ষীপুরম কিংবা জামা মসজিদ নয় ভারতবর্ষ মানে নেহেরুজির বংশানুবৃত্তি কিংবা জিন্নাসাহেবের অলিখিত…
আমি একটা সংখ্যা এবং আমি একটা মত আমি একটা একক এবং ঐক্য যুগপৎ একটা আমি নেরুদাদের, সমষ্টিতে চে আমেরিকার হে মার্কেটে পথ খুঁজে যাচ্ছে অন্য আমি কথামৃতে গলা অবধি ডুবে সূত্র জুড়ে বিচার করি দ্বিবেদি নয়, দুবে। গভীর রাতে…
পুটুঠাকুমার পোশাকি নাম যে জ্যোতির্ময়ী নির্বাচনের দিন ছাড়া কেউ জানত না গ্রীষ্মের দুপুরের মত শূন্য সিঁথির বিপুল বৈধব্য নিয়ে কত মায়াবী সকাল মুছে যায় কেটে যায় কত নিস্তরঙ্গ ভোর সাদা থান,সাদা সিঁথি, নগ্ন হাতে শ্বেত অন্ধকার আদিগন্ত সাদা কুয়াশা…
বিলোনিয়া সীমানার ওপারে বাংলাদেশ, এ পারে ভারত মাঝে একটা ভয়ানক তারকাঁটার বেড়া বি এস এফ-বি ডি আর ঘুমন্ত স্বপ্ন, জাগ্রত এ কে ফর্টি সিক্স ওপাশ থেকে সাজু একটা দলা পাকানো চিঠি ছুঁড়ে দিল এপারে, রূপাইকে চিঠিটা পড়ে গেল বেড়ার…