Pora mati kobita Sakti Chattopardhyay পোড়া মাটি – শক্তি চট্টোপাধ্যায়
দূরে যাও থেকো না এখানে চিরদিন উড়ন্ত শাম্পানে ছন্নছাড়া চিঠি তো পুড়েছে একতাড়া আগুনে পুড়েছে শত পাড়া দূরে যাও থেকো না এখানে দূরে যাও থেকো না এখানে কাকে পাও?
দূরে যাও থেকো না এখানে চিরদিন উড়ন্ত শাম্পানে ছন্নছাড়া চিঠি তো পুড়েছে একতাড়া আগুনে পুড়েছে শত পাড়া দূরে যাও থেকো না এখানে দূরে যাও থেকো না এখানে কাকে পাও?
ভাবছি, ঘুরে দাঁড়ানোই ভালো। এতো কালো মেখেছি দু হাতে এতোকাল ধরে! কখনো তোমার ক’রে, তোমাকে ভাবিনি। এখন খাদের পাশে রাত্তিরে দাঁড়ালে চাঁদ ডাকে : আয় আয় আয় এখন গঙ্গার তীরে ঘুমন্ত দাঁড়ালে চিতাকাঠ ডাকে : আয় আয় যেতে পারি যে-কোন…
একবার তুমি ভালোবাসতে চেষ্টা কর – দেখবে, নদীর ভিতরে, মাছের বুক থেকে পাথর ঝরে পড়ছে পাথর পাথর পাথর আর নদী-সমুদ্রের জল নীল পাথর লাল হচ্ছে, লাল পাথর নীল একবার তুমি ভাল বাসতে চেষ্টা কর । বুকের ভেতরে কিছু পাথর থাকা…
শব্দের ঝর্ণায় স্নান করে ওরা, আকাশের নিচেকালো পাথরের কোলে জল ও দুধের শব্দ ঝরে পড়ে, ছিন্নভিন্ন ফেনাকোটরে হৃদয়ে জমে, স্থিরচিত্র বিংশশতাব্দীরতরুণ কবির রক্ত, স্মৃতি, মেধা, তছনছ সংসারবিষের মতন বদ্ধ শব্দ আসে মুক্তস্রোত থেকেসেখানে সে-গর্তে ওঠে শরবন, ভাসে গুঁড়ো পানাপ্রতিষ্ঠান এইভাবে…
অবনী বাড়ি আছো অবনী বাড়ি আছো দুয়ার এঁটে ঘুমিয়ে আছে পাড়া কেবল শুনি রাতের কড়ানাড়া ‘অবনী বাড়ি আছো?’ বৃষ্টি পড়ে এখানে বারোমাস এখানে মেঘ গাভীর মতো চরে পরাঙ্মুখ সবুজ নালিঘাস দুয়ার চেপে ধরে– ‘অবনী বাড়ি আছো?’ আধেকলীন…