জানি তো হারিয়ে গিয়েছ।
তবু,মন বলে ঠিক দেখা হবে।
পৃথিবী তেমনই আছে,সুন্দরী।
কেবল আমার সুন্দর বিদায় নিয়েছে।
শতেক প্রেমিক ছিল একদিন আমার,
হয়তো রয়েছে আজো দুই চার,
কেউ কেন তোমার মতো বাংলা বলে না?
কেউ কেন তোমার মতো ওরকম দুধধোয়া অপরূপ নয়?
কেউ কেন কেবল কেবল আমার জন্যেই চিঠির কুসুম খোলে না!
কোনোদিন চুম্বন করিনি।
কারণ,তুমি এক অঙ্গে পিতা ও প্রহর।
কারণ,তুমি এক অঙ্গে আমার সুহৃদ,বন্ধু আর পত্রপ্রেমিক।
নিদারুণ এ যন্ত্রণা।দু দিন আগেও এর স্বরূপ জানি নি।
বাবা মার মৃত্যুর পর অশ্রু তবু এমন অনর্গল?
সে অর্থে কেউ তো ছিলে না,
তবু কী না ছিলে?
দুঃখের নদীর মতো একদিন বাঁক নিলে অসীমের নীলে।
তবুও পাকুড়তলা,তবুও তো হেমন্ত-প্রভাত,
তবুও নৌকার বয়ে যাওয়া,
একদিন দু পাড়ে ফসল।
দূর পৃথিবীতে ঠিক কোনখানে আছো?
আমার বাবার সঙ্গে এতক্ষণে দেখা হয়েছে কি?
দুটি রূপবান মিলে ওই দেশে ভালো আছো তো?
এইখানে কিন্তু ভালো নেই তোমাদের বিহনে পুতুল।
দেহ আছে,প্রাণ যেন নেই,এ সত্যি পুতুল।
তোমাদের কাছে যেতে আর কত দেরি,জানি না।
বালিকার প্রথম উচ্চারিত যৌনতায় তুমি ছিলে আর
বালিকার রূপোন্মত্ততায় তুমি ছিলে সাক্ষাৎ কন্দর্প।
অসুন্দর আমি একদম সইতে পারি না,
সে কি তোমাকে দেখেছি বলেই?
তবু,রতিবিলাপের কেন যে পাত্র ও ভূমিকা এক থেকেও
কেবল সমাজ-কারণে প্রকাশ বদলে যায়,কেন?
পিতার মতন ছিলে,পিতা ছিলে না,
প্রেমিকের মতো ছিলে,প্রেমিক ছিলে না তথ্যগত।
তৃষ্ণার মতন ছিলে,যৌনতা ছিলে না তথাগত।
কোনোদিন শরীরে আসো নি,
তবুও সে এমন শরীর।
কোনোদিন চুম্বনে আসো নি,
তবুও সে এমন চুম্বন।
একরাতও পাশে শুই নি,
তবুও অনন্ত শোয়া কার।
এক অঙ্গে এত কেন তুমি ছিলে সমস্ত আমার?
