বেশি ভালোবাসিও না!
এত বেশি!
বেশি ভালোবাসলেই আমি পেগলে যাই!
তখন তোমার সন্ধ্যায় আমি ছাড়া আর কিচ্ছু থাকবে না!
আমি এবং আমি!
মানে আমি নামে নারীটিই!
তার বাদে নারী পোকাটিও পারবে না আমার চোখ এড়িয়ে
তোমার বুকে বসতে!
জানি তুমি প্রজাপতি ভালোবাসো,
সন্ধ্যা হয় হয়,
হলুদ ছড়কাটা প্রজাপতিটা তোমার চারদিকে ঘুরলে তুমি বিয়ের
শব্দ পাও!
আমায় বেশি ভালো বাসিও না,বলছি!
আমি প্রজাপতি নই,
আমি নারী,
আমি তোমার বিয়ের চিহ্ন হয়ে কেবল নিমন্ত্রণপাতায় বাসা
বাঁধবো না,
আমি বাসা বেঁধে বাস করবো তোমার বুকের কোটরে,
নিশ্চিন্ত আমগাছ,
এখন মঞ্জরী নেই,
এখন কোকিল নেই,
কিন্তু আমি তো আছি!
একটা মহাভয়ানক বসন্ত এই শ্রাবণেও তোমায় পাগলা করে
দেবে!
সাড়ে ছটা বাজে,এলে না?
পৃথিবীর সব রেস্তোরাঁয় সন্ধে হলেই বাঁশি বাজে!
সন্ধে হলেই পাখি বলে,যাই এবার,
মানুষী বলে,যাবে কি এখনই!অসম্ভব!
পৃথিবীর সব রেস্তোরাঁয় সন্ধেবেলায় শান্ত,দাস্য,সখ্য,বাৎসল্য
জড়ো হয়!
শৃঙ্গার?ও তো বিপ্রলম্ভেই বসে,তাড়া খায়,মরে যায়,
সম্ভোগ আর কোথা?
অত বেশি ভালোবাসিও না!
কবিরা ভালোবাসলে মরে যায়!
প্রেতের মতন পিছুটান,জেনো,মানুষের থাকে না!
বেশি ভালোবাসিও না!
পাগলের দিনই বা কি?রাতই বা কি?
যখন তখন বায়নায় আছাড় খেয়ে পড়বে,বলবে,এক্ষুনি এসো,
নতুবা আসছি তোমার বাড়ি!
ভয়ে তুমি বেরবে!যেহেতু,
পাগল প্রেম বোঝে,দাম্পত্য বোঝে না!
