Kath buro kobita Shukumar Ray কাঠ বুড়ো কবিতা সুকুমার রায়
হাঁড়ি নিয়ে দাড়িমুখো কে–যেন কে বৃদ্ধ রোদে বসে চেটে খায় ভিজে কাঠ সিদ্ধ । মাথা নেড়ে গান করে গুন্ গুন্ সঙ্গীত ভাব দেখে মনে হয় না–জানি কি পণ্ডিত ! বিড়্ বিড়্ কি যে বকে নাহি তার অর্থ— “আকাশেতে ঝুল…
হাঁড়ি নিয়ে দাড়িমুখো কে–যেন কে বৃদ্ধ রোদে বসে চেটে খায় ভিজে কাঠ সিদ্ধ । মাথা নেড়ে গান করে গুন্ গুন্ সঙ্গীত ভাব দেখে মনে হয় না–জানি কি পণ্ডিত ! বিড়্ বিড়্ কি যে বকে নাহি তার অর্থ— “আকাশেতে ঝুল…
গাছের গোড়ায় গর্ত করে ব্যাঙ বেঁধেছেন বাসা, মনের সুখে গাল ফুলিয়ে গান ধরেছেন খাসা। রাজার হাতি হাওদা পিঠে হেলেদুলে আসে— ‘বাপ রে!’ বলে ব্যাঙ বাবাজি গর্তে ঢোকেন ত্রাসে! রাজার হাতি, মেজাজ ভারি হাজার রকম চাল; হঠাৎ রেগে মটাং করে…
চলে খচ্খচ্ রাগে গজ্গজ্ জুতো মচ্মচ্ তানে, ভুরু কট্মট্ ছড়ি ফট্ফট্ লাথি চট্পট্ হানে। দেখে বাঘ-রাগ লোকে ‘ভাগ ভাগ’ করে আগভাগ থেকে, বয়ে লাফ ঝাঁপ বলে ‘বাপ্ বাপ্’ সবে হাবভাব দেখে। লাথি চার চার খেয়ে মার্জার ছোটে যার যার…
কিসে কিসে ভাব নেই? ভক্ষক ও ভক্ষ্যে— বাঘে ছাগে মিল হলে আর নেই রক্ষে। শেয়ালের সাড়া পেলে কুকুরেরা তৈরি, সাপে আর নেউলে ত চিরকাল বৈরী! আদা আর কাঁচকলা মেলে কোনোদিন্ সে? কোকিলের ডাক শুনে কাক জ্বলে হিংসেয়।…
চুপ করে থাক্, তর্ক করার বদভ্যাসটি ভাল না, এক্কেবারেই হয় না ওতে বুদ্ধিশক্তির চালনা। দেখ্ ত দেখি আজও আমার মনের তেজটি নেভেনি— এইবার শোন বলছি এখন— কি বলছিলাম ভেবেনি! বলছিলাম কি, আমি একটা বই লিখেছি কবিতার, উচু রকম পদ্যে…
পড়তে বসে মুখের পরে কাগজ খানি থুয়ে রমেশ ভায়া ঘুমোয় পড়ে আরাম ক’রে শুয়ে। শুনছ নাকি ঘড়র্ ঘড়র্ নাক ডাকার ধুম? সখ যে বড় বেজায় দেখি— দিনের বেলায় ঘুম! বাতাস পোরা এই যে থলি দেখ্ছ আমার হাতে, দুড়ম…