বিবিধ কবিতা

বৃক্ষের ভাগ্যকে ঈর্ষা করি – পূর্ণেন্দু পত্রী

বৃক্ষের ভাগ্যকে ঈর্ষা করি। নিজের বেদনা থেকে নিজেই ফোটায় পুস্পদল। নিজের কস্তরী গন্ধে নিজেই বিহ্বল। বিদীর্ণ বল্কলে বাজে বসন্তের বাঁশী বারংবার আত্মজ কুসুমন্ডলি সহস্র চুম্বনচিহ্নে অলল্কৃত করে ওষ্ঠতল। আমি একা ফুটিতে পারি না আমি একা ফোটাতে পারি না। রক্তের বিষাদ…

Read Moreবৃক্ষের ভাগ্যকে ঈর্ষা করি – পূর্ণেন্দু পত্রী

শিকড় এবং ডালপালা – পূর্ণেন্দু পত্রী

জন্মমুহূর্তে বীজের চোখে যেই নামল বৃক্ষের স্বপ্ন অমনি দ্বিখন্ডিত। আবখানা নেমে গেল মাটির তিমিরে শিকড় আধখানা রয়ে গেল মাটির উপর পৃথিবীর সকাল-বিকেলে ডালপালা। স্বপ্ন মানেই এক অনির্বচনীয় হত্যাকারী এক আলোকিত খড়গ। একটা কিছু হয়ে ওঠার স্বপ্নে বুকের মধ্যে যেই বজ্র-বিদ্যুৎ…

Read Moreশিকড় এবং ডালপালা – পূর্ণেন্দু পত্রী

স্বপ্নের অসুখ – পূর্ণেন্দু পত্রী

স্বপ্নেরও অসুখ আজকাল। সে-রকম নির্বিরোধী অমল ধবল পালতোলা স্বপ্ন আর বেড়াতে আসে না রাত্রিকালে। আধুনিক স্বপ্নগুলি একালের আঠারো বা উনিশ বছর বয়সের বিরক্তির মতো সুখী হয় চৌচির চুরমারে।   আগে স্বপ্নে সারারাত চুড়িপরা হাত নিয়ে খেলা নানান নারীর দেহ সারারাত…

Read Moreস্বপ্নের অসুখ – পূর্ণেন্দু পত্রী

পাওয়া না-পাওয়ার কানামাছি – পূর্ণেন্দু পত্রী

রঙীন রুমালে চোখ দুটো বাঁধা নিজের সঙ্গে নিজের অষ্টপ্রহর- কানামাছি খেলা ভারী চমৎকার ধাঁধা। যাকে ছোঁবার তাকে না ছুঁয়ে আকাশ ধরতে হাত বাড়িয়ে আমি ধুলো মাটির ভূয়ে। হাত বাড়ালে হাতে জলের বদলে শামুক অথচ ভেতরটা পরাগসুদ্ধ ফুলের জন্যে আপাদমস্তক কামুক।…

Read Moreপাওয়া না-পাওয়ার কানামাছি – পূর্ণেন্দু পত্রী

জনৈক ক্ষিপ্তের উক্তি – পূর্ণেন্দু পত্রী

এই তো আমার ক্ষিপ্ত হবার সময় এলো।   মুঠোখানেক বৃষ্টি নিয়ে রোদকে ছুঁড়ে মারতে পারি গঙ্গাজলকে বলতে পারি, সরে দাড়াঁও, ওপার যাবো। ও কলকাতা হে কলকাতা নেয়াপাতি ডাবের মাথা সবকটাকে ঝুনো করে উকুন দিয়ে চষতে পারি।   এই তো আমার…

Read Moreজনৈক ক্ষিপ্তের উক্তি – পূর্ণেন্দু পত্রী

ক্রেমলিনে হঠাৎ বৃষ্টি – পূর্ণেন্দু পত্রী

অপর দেশের রোদে ভেসে আছি বিহ্বল বাতাসে অকস্মাৎ ক্রেমলিনের চুড়ো থেকে বৃষ্টি ছুটে আসে। সুতীব্র শীতের ঢাল, শত শত তীর, পথে হঠাৎ ঘেরাও। কে তুমি হে? কোন দেশী? জারের প্রাসাদ ভেঙে কোথা যেতে চায়? আমি গুপ্তচর নই, বৃষ্টিকে বোঝাই কানে…

Read Moreক্রেমলিনে হঠাৎ বৃষ্টি – পূর্ণেন্দু পত্রী