যখন, কেবলমাত্র তুমি – মন্দাক্রান্তা সেন
আমি কারও চোখ দেখলে বলে দিতে পারি তার সঙ্গে প্রেম হবে কি না আমার কখনও রাস্তাঘাটে ট্রামেবাসে বন্ধুর বাড়িতে মাঝেমধ্যে চোখ গিঁথে যায় অরক্ষিত মুখে আমি জানি তাদের মধ্যেই কোনােজন আমাকে ভাসান দিয়ে যাবে লােনা…
আমি কারও চোখ দেখলে বলে দিতে পারি তার সঙ্গে প্রেম হবে কি না আমার কখনও রাস্তাঘাটে ট্রামেবাসে বন্ধুর বাড়িতে মাঝেমধ্যে চোখ গিঁথে যায় অরক্ষিত মুখে আমি জানি তাদের মধ্যেই কোনােজন আমাকে ভাসান দিয়ে যাবে লােনা…
আদিগন্ত রাজ্যপাট তােমাকে দেখেছি ছেড়ে যেতে যখন কোপাচ্ছ মাটি এক চিলতে বেড়াঘেরা খেতে তােমাকে দেখেছি আমি দূর থেকে, বাঁধের ওপরে দাঁড়িয়েছি কতদিন, নদীর রঙের শাড়ি পরে। আমি জানি তুমি সেই রাজকুমার, আড়াল-বিলাসী কোথায় তােমার বীজ, কী শস্য বুনেছ খেতে, চাষি?…
যদি সেই মহামহিমায় যা কিছু সকলি জেগে থাকে তবে সেই প্রথম হৃদয় জুড়ােলো নদীর কোন্ বাঁকে ? কিছু নীল, সবুজ, গভীর সময়ের দূর সরােবর বালিহাঁস, গাঢ় লাল তীর, তৃষিত সােনার বালুচর.. তারপর কাচের পুকুরে লাল নীল বেগুনী হলুদ শফরি সলীল,…
এই নাও বাম হাত তোমাকে দিলাম। একটু আদর করে রেখো, চৈত্রে বোশেখে খরা আর ঝড়ের রাত্রিতে মমতায় সেবা ওশুশ্রূষা দিয়ে বুকে রেখো, ঢেকে রেখো, দুর্দিনে যত্ন নিও সুখী হবে তোমার সন্তান। এই নাও বাম হাত তোমাকে দিলাম। ও বড়ো কষ্টের…
ইচ্ছে ছিলো তোমাকে সম্রাজ্ঞী করে সাম্রাজ্য বাড়াবো ইচ্ছে ছিলো তোমাকেই সুখের পতাকা করে শান্তির কপোত করে হৃদয়ে উড়াবো। ইচ্ছে ছিলো সুনিপূণ মেকআপ-ম্যানের মতো সূর্যালোকে কেবল সাজাবো তিমিরের সারাবেলা পৌরুষের প্রেম দিয়ে তোমাকে বাজাবো, আহা তুমুল বাজাবো। ইচ্ছে ছিলো নদীর বক্ষ…
বুকের সীমান্ত বন্ধ তুমিই করেছো খুলে রেখেছিলাম অর্গল, আমার যুগল চোখে ছিলো মানবিক খেলা তুমি শুধু দেখেছো অনল। তুমি এসেছিলে কাছে, দূরেও গিয়েছো যেচে ফ্রিজ শটে স্থির হয়ে আছি, তুমি দিয়েছিলে কথা, অপারগতার ব্যথা সব কিছু বুকে নিয়ে বাঁচি। উথাল…