
কাল সারারাত – অমিতাভ দাশগুপ্ত
কাল সারারাত একটা ছেলেকে ফলো করতে করতে আমার স্বপ্ন ক্লান্ত হয়ে গেছে। গোড়ালি-ছেঁড়া পাজাম আর মভ্ রঙের পাঞ্জাবি পরা সেই ছেলেটির মুখ কখনো দেখা যায় নি। স্রেফ ঐটুকু জায়গা সে ছায়া দিয়ে সব সময় চেপে রেখেছিল। আর, আমরা তো সকলেই…

কাল সারারাত একটা ছেলেকে ফলো করতে করতে আমার স্বপ্ন ক্লান্ত হয়ে গেছে। গোড়ালি-ছেঁড়া পাজাম আর মভ্ রঙের পাঞ্জাবি পরা সেই ছেলেটির মুখ কখনো দেখা যায় নি। স্রেফ ঐটুকু জায়গা সে ছায়া দিয়ে সব সময় চেপে রেখেছিল। আর, আমরা তো সকলেই…

এসো। ছোঁও। সম্পূর্ণ পাথর হয়ে গেছি কিনা, দ্যাখো। পাথরের বুক থেকে মাংস নাও, পাঁজরের রিডে রিডে চাপ দাও দশটি আঙুলে, আমাকে বাজাও তুমি বিঠোফেন-বালিকার হাত, বলো – আমি প্রত্ন নই, নই অন্ধ, জমাট খনিজ, বলো—সব শেষ…

মুঠোর ভিতরে রোদ পুড়িয়ে দিচ্ছে আঙুল কী দিয়ে যে লিখি তাপ কী দিয়ে গহন – অভিমানী ছায়ার বিকেল, নকশার ম্লান কারুকাজ উষ্ণতার খড়কুটো দিয়ে যেটুকু জ্বেলেছি আগুন দাবানল শিকা লেলিহান বনের অরণ্যক্ষুধা জপস্নিগ্ধ শ্লোক প্রবচন, পুড়ে যাচ্ছে নৈর্ঋত দিন রাত্রির…

তোমাকে অস্বীকার করব বলেই পেরিয়ে যাচ্ছি ঝুলন্ত সাঁকো ফুলভারনত মায়া অর্কিড ঈশ্বরীয় উপকথা ভর করে স্নায়ু-সংহত রাত্রির এলোচুলে নরক অতীত তোমাকে অস্বীকার করব বলেই জ্বলে ওঠা জাদুলন্ঠন–কাচে চৈনিক পরিভাষা দ্বন্দ্ব মধুর আঁখিপাতে কনফুসিয়াস নিরাকার মোহ থেকে উথ্বানরহিত তোমাকে…

গাছগুলোকে কেটে মেরে নকশা কাটা বাড়িগুলো গুঁড়ো করে ম্যাচবাক্সের মত এমন বিদঘুটে দালান তুলছিস কেন রে? তোর হয়েছে কি? তুই কি স্থাপত্যে স্মৃতিতে শ্রীতে আর তেমন বিশ্বাস করিস না? তোর বুঝি খুব টাকার দরকার? এত টাকা দিয়ে তুই কী করবি…

জানি না কেন হঠাৎ কোনও কারণ নেই, কিছু নেই, কারও কারও জন্য খুব অন্যরকম লাগে অন্য রকম লাগে, কোনও কারণ নেই, তারপরও বুকের মধ্যে চিনচিনে কষ্ট হতে থাকে, কারুকে খুব দেখতে ইচ্ছে হয়, পেতে ইচ্ছে হয়, কারুর সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ…