প্রেমের কবিতা

পরিণয় উপলক্ষে – পূর্ণেন্দু পত্রী

এইখানে সব আছে। স্তব্ধতার মুখে শুনতে পাবে অবিরল সলজ্জ সংলাপ দৃষ্টি যদি ডুবে যায় তরল আঁধারে তবু কারো নিংশ্বাসের উজ্জল উত্তাপ।   তোমাকে রঙিন করে দেবে স্পর্শ সুখে। নিয়ে এসো দিনাস্তের অসংখ্য বিলাপ কে তাকে উড়িয়ে দেবে গানের পাখির পাখনায়…

Read Moreপরিণয় উপলক্ষে – পূর্ণেন্দু পত্রী

আশ্চর্য – পূর্ণেন্দু পত্রী

একটি নারীর মাঝে অকস্মাৎ খুঁজে পায় কেউ আশ্চর্যের নীলিমাকে। দৃশ্যহীন ঘন অন্ধকারে নক্ষত্ররাজিরা গেছে আকাশে সোনালী শিল্প রুয়ে তার স্নিগ্ধ সুষমার মোহাচ্ছন্ন ঘ্রাণ নিতে নিতে ঘুমের মতন জাগে। ঘুমোতে দেয় না স্তব্ধতারে। একে একে আবরণ পূজার ফুলের মতো ঝরে। তারপর…

Read Moreআশ্চর্য – পূর্ণেন্দু পত্রী

বৃক্ষের ভাগ্যকে ঈর্ষা করি – পূর্ণেন্দু পত্রী

বৃক্ষের ভাগ্যকে ঈর্ষা করি। নিজের বেদনা থেকে নিজেই ফোটায় পুস্পদল। নিজের কস্তরী গন্ধে নিজেই বিহ্বল। বিদীর্ণ বল্কলে বাজে বসন্তের বাঁশী বারংবার আত্মজ কুসুমন্ডলি সহস্র চুম্বনচিহ্নে অলল্কৃত করে ওষ্ঠতল। আমি একা ফুটিতে পারি না আমি একা ফোটাতে পারি না। রক্তের বিষাদ…

Read Moreবৃক্ষের ভাগ্যকে ঈর্ষা করি – পূর্ণেন্দু পত্রী

মাধবীর জন্যে – পূর্ণেন্দু পত্রী

আয়নার পাশে একটু অন্ধকার ছায়া এঁকে দাও। ব্যথিত দৃশ্যের পট জুড়ে থাক চিত্রিক আঁধার। দেয়ালের ছবিটাকে একটু সরাতে হবে ভাই। ওটা নয়, এই ছবিটাকে। জুলিয়েট জ্যেৎস্নার ভিতরে রক্তে উচ্চকিত তৃষ্ণা রোমিওর উষ্ণ ওষ্ঠাধরে। ব্যাস, ব্যাস। লাইটস্ বার্ণিং। মাধবী, আসুন। একটা…

Read Moreমাধবীর জন্যে – পূর্ণেন্দু পত্রী

পাওয়া না-পাওয়ার কানামাছি – পূর্ণেন্দু পত্রী

রঙীন রুমালে চোখ দুটো বাঁধা নিজের সঙ্গে নিজের অষ্টপ্রহর- কানামাছি খেলা ভারী চমৎকার ধাঁধা। যাকে ছোঁবার তাকে না ছুঁয়ে আকাশ ধরতে হাত বাড়িয়ে আমি ধুলো মাটির ভূয়ে। হাত বাড়ালে হাতে জলের বদলে শামুক অথচ ভেতরটা পরাগসুদ্ধ ফুলের জন্যে আপাদমস্তক কামুক।…

Read Moreপাওয়া না-পাওয়ার কানামাছি – পূর্ণেন্দু পত্রী

তাজমহল ১৯৭৫ – পূর্ণেন্দু পত্রী

বহুদিন একভাবে শুয়ে আছো, ভারতসম্রাট। বহুদিন মণিমুক্তো, মহফিল, তাজা ঘোড়া, তরুণ গোলাপ এবং স্থাপত্য নিয়ে ভাঙাগড়া সব ভুলে আছো। সর্বান্তঃকরণ প্রেম, যা তোমার সর্বোচ্ছ মুকুট, তাও ভুলে গেছো নাকি? পাথরের ঢাকনা খুলে কখনো কি পাশে এসে মমতাজ বসে কোনোদিন? সুগন্ধী…

Read Moreতাজমহল ১৯৭৫ – পূর্ণেন্দু পত্রী