প্রেমের কবিতা

যখন তোমার ফুলবাগানে – পূর্ণেন্দু পত্রী

কালকে তোমার ডাল ভেঙেছি, ফুল ছিঁড়েছি। অপরাধের হাওয়ায় ছিল ত্বরিৎগতি সেই কাঁপুনি ঝাউ পাতাতে, ক্ষয়ক্ষতি যার গায়ের ধুলো এমন মাদল, যার ডাকে বন আপনি দোলে পাহাড় ঠেলে পরাণ-সখা বন্ধু আসে আলিঙ্গনে সমস্ত রাত পায়ে পরায় সর্বস্বান্ত নাচের নেশা। দস্যু যেমন…

Read Moreযখন তোমার ফুলবাগানে – পূর্ণেন্দু পত্রী

স্রোতস্বিনী আছে, সেতু নেই – পূর্ণেন্দু পত্রী

তুমি বললে, রৌদ্র যাও, রৌদ্রে তো গেলাম তুমি বললে, অগ্নিকুণ্ড জ্বালো, জ্বালালাম। সমস্ত জমানো সুখ-তুমি বললে, বেচে দেওয়া ভালো ডেকেছি নীলাম। তবু আমি একা। আমাকে করেছ তুমি একা। একাকিত্বটুকুতেও ভেঙে চুরে শত টুকরো করে বীজ বপনের মতো ছড়িয়ে দিয়েছ জলে-স্থলে।…

Read Moreস্রোতস্বিনী আছে, সেতু নেই – পূর্ণেন্দু পত্রী

প্রথম কবিতা – শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়

বইয়ের প্রথম পাতা। প্রথম কবিতা। তুমি হাতে করে তুলে কৌতূহলে পড়ে দেখছ এখন কেমন আমি, বদলে গেছি কিনা— কতদিন দেখা হয়নি। ভাল আছ? আমি আছি, ওই একরকম… তোমাদের বাড়ি যেতে ভুলে গেছি, মনে আছে, আমাকেও তুমি ভালর সুড়ঙ্গগুলো গোপনে দেখিয়েছিলে,…

Read Moreপ্রথম কবিতা – শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ চিঠি – শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়

সময় বোঝাতে কোন অজানা স্টেশনে প্রেম দু’বার দাঁড়ায়? যেখানে অনেকে নেই, তোমার চশমার কাচ মুছে দিতে গিয়ে চোখ দেখা হয়েছিল। আজ সেই রাতভ’র চোখ মনে এলে, সব কষ্ট একসঙ্গে মনে পড়ে, মনে পড়ে তোমার বুকের জলপদ্মদুটি কত দুঃখ লেগে তবে…

Read Moreশেষ চিঠি – শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়

কেয়া – শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়

রুমালের শেষপ্রান্তে তোমার সুবাসটুকু ধরে রাখি, কেয়া তোমার কোলের কাছে আমার বন্ধুকে আমি প্রেমিক পেলাম। দেহাতি গঠন আর চান্দি টিপ মনে থাকবে, মনে থাকবে দেখা, যে-দেখা গাছের নীচে শান্তিমতো কবিতার কাঁকর কুড়নো, ভরদুপুরের ট্রাম যে-দেখার পাশ দিয়ে ক্লান্তি ফিরি করে…

Read Moreকেয়া – শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়

স্মৃতির অভাবে – শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়

যতই চিঠির খামে হাত রেখে তুলে নাও, যতই এড়াও আজও কিন্তু পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ গায় অতীতের গান। শস্যের সকালধোওয়া ইচ্ছে থেকে সিঁড়িনামা পায়ের অতল আশ্চর্য বাধিত হয় দিনরাত ভেসে আসা মূর্ছার সুবাসে নিজেই সেতুর পাশে আলস্যে হেলান দিয়ে, নিজেই, জীবন…

Read Moreস্মৃতির অভাবে – শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়