Anek chilo bolar অনেক ছিল বলার কাজী নজরুল ইসলাম
অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাসতে পথ ছিল গো চলার, যদি দুদিন আগে আসতে আজকে মহাসাগর স্রোতে চলেছি দূর পারের পথে ঝরা পাতা হারায় যথা, সেই আঁধারে ভাসতে যাই সেই আঁধারে ভাসতে। গহন রাতি ডাকে আমায়, এসে তুমি…
অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাসতে পথ ছিল গো চলার, যদি দুদিন আগে আসতে আজকে মহাসাগর স্রোতে চলেছি দূর পারের পথে ঝরা পাতা হারায় যথা, সেই আঁধারে ভাসতে যাই সেই আঁধারে ভাসতে। গহন রাতি ডাকে আমায়, এসে তুমি…
তোমার বিষাদগুলি করতলে তুলে নিতে দাও ওষ্ঠপুটে রাখি। ভীষণ বৃষ্টির শব্দ সারাদিন স্মৃতির ভিতরে। একাকিনী বসে আছ বৃষ্টির ভিতরে বালুকাবেলায় কবেকার উইয়ে-খাওয়া ছবি। তোমার বিষাদগুলি করতলে তুলে নিতে দাও ওষ্ঠপুটে রাখি। মানুষের ভীষণ বিষাদ একদিন বেজেছে মন্দিরে…
বলিনি কখনো? আমি তো ভেবেছি বলা হয়ে গেছে কবে। এভাবে নিথর এসে দাঁড়ানো তোমার সামনে সেই এক বলা কেননা নীরব এই শরীরের চেয়ে আরো বড়ো কোনো ভাষা নেই কেননা শরীর তার দেহহীন উত্থানে জেগে যতদূর মুছে নিতে জানে দীর্ঘ…
০১- “অচল প্রেমের পদ্য” আছি। বড্ড জানান দিতে ইচ্ছে করে, – আছি, মনে ও মগজে গুন্ গুন্ করে প্রণয়ের মৌমাছি। ০২- “অচল প্রেমের পদ্য” কোনদিন, আচমকা একদিন ভালোবাসা এসে যদি হুট করে বলে বসে,- ‘চলো যেদিকে দুচোখ যায়…
যেদিন আমি হারিয়ে যাবো, বুঝবে সেদিন বুঝবে, অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে— বুঝবে সেইদিন বুঝবে! ছবি আমার বুকে বেঁধে পাগল হ’লে কেঁদে-কেঁদে ফিরবে মরু কানন গিরি, সাগর আকাশ বাতাস চিরি’ যেদিন আমায় খুঁজবে— বুঝবে সেদিন বুঝবে! স্বপন ভেঙে…
বড় দীর্ঘতম বৃক্ষে ব’সে আছো, দেবতা আমার। শিকড়ে, বিহ্বল প্রান্তে, কান পেতে আছি নিশিদিন সম্ভ্রমের মূল কোথা এ-মাটির নিথর বিস্তারে; সেইখানে শুয়ে আছি মনে পড়ে, তার মনে পড়ে? যেখানে শুইয়ে গেলে ধীরে-ধীরে কত দূরে আজ! স্মারক বাগানখানি গাছ…