
কথোপকথন (১৭) – পূর্ণেন্দু পত্রী
-নন্দিনী,তুমি একটুখানি তো জল অথচ ভাসাও স্রোতের কলস্বরে । -তুমিও তো মিহি বাতাস,শুভঙ্কর অথচ কী করে কাঁপাও সুখের ঝড়ে ?

-নন্দিনী,তুমি একটুখানি তো জল অথচ ভাসাও স্রোতের কলস্বরে । -তুমিও তো মিহি বাতাস,শুভঙ্কর অথচ কী করে কাঁপাও সুখের ঝড়ে ?

ওগো সুন্দরী! মনে আছে কাল তেসরা জুন ? সেকি! ভুলে গেছো?তুমি তো দেখছি সাংঘাতিক! ভুলে গেলে তিথি প্রথম বিবাহ বার্ষিকীর? আজ্ঞে না এটা ঠাট্টা নয় বা ইয়ার্কি । ফিচেল হাওয়ারা যে ভাবে সজনে গাছের চুল চুলের বিনুনি ঘেঁটে দিয়ে করে…

তরমুজের বাইরে টা সবুজ ভিতরটা লাল আচ্ছা বলোতো, কেন মনে পড়লো কথাটা? পারলে না? তোমার সবুজ শাড়ির দিকে তাকিয়ে।

-দেখো অনন্তকাল ঝিঁ ঝিঁ পোকার মত আমরা কথা বলছি অথচ কোন কথাই শেষ হয় না এখনও। একটা লাল গোলাপের কান্নার গল্প শোনাবে বলেছিলে কবে বলবে? -চলো উঠি। বড্ড গরম এখানে। -দেখ, অনন্তকাল শুকনো বাঁশপাতার মতো আমরা ঘুরছি অখচ কেউ কাউকে…

-তোমার মধ্যে অনন্তকাল বসবাসের ইচ্ছে তোমার মধ্যেই জমিজমা ঘরবাড়ি, আপাতত একতলা হাসছো কেন? বলো হাসছো কেন? -একতলা আমার এক বিন্দু পছন্দ নয় সকাল সন্ধে চাঁদের সাথে গপ্পো গুজব হবে তেমন উচু নাহলে আবার বাড়ি নাকি? -আচ্ছা তাই হবে চাঁদের গা…

কাল বিকেলে তোমার ঘাড়ে চিবুক রেখে প্রকাণ্ড বাঘ কি খুঁজছিল দেখতে পেলে? -জানি জানি খুঁজছিল তার সুখের নদীর উৎস এবং পারাপারের শেষ পারানি -সমস্ত রাত নিজের বুকের পাথর খুড়ে বইয়েছে কাল ক্ষতিকারক জলপ্রপাত। -লক্ষী সোনা, আমি তোমার রৌদ্র ছায়ায় সর্বক্ষনই…