নবারুণ ভট্টাচার্য

তৃতীয় বিশ্বের শিশুদের – নবারুণ ভট্টাচার্য

অন্ধকারে জন্ম তোর দেখেও যাবি অন্ধকার অন্ধকারে মৃত্যু হবে অন্ধকারে জন্ম যার। অনন্তকাল থাকবে ক্ষুধা দারিদ্র্য ও মৃত্যু শাপ মশাল হাতে নাচবে প্রেত বন্যা, খরা, দুর্বিপাক। অনাথ শিল্ত, চক্ষু বসা পিতার চিতা, মাতার ছাই চলছে চলবে গুরুর দশা মরণ, মারণ—…

Read Moreতৃতীয় বিশ্বের শিশুদের – নবারুণ ভট্টাচার্য

ইতরের দেশ – নবারুণ ভট্টাচার্য

আমি একটা ইতরের দেশে বাস করি এখানে বণিকেরা লেখকদের উদ্বাবন করে, এবং লেখকরা উদ্ভাবিত হয়।   আমি একটা ইতরের দেশে থাকি যে দেশের বুদ্ধিজীবী-অধ্যুষিত সরকার শীতের ইথারের মধ্যে গরীব মানুষের ঘর ভেঙে দেয়।   আমি একটা ইতরের দেশে থাকি যেখানে…

Read Moreইতরের দেশ – নবারুণ ভট্টাচার্য

কে? – নবারুণ ভট্টাচার্য

সারারাত চাঁদের সাবান দিয়ে মেঘের ফেনায় সব ঢেকে কার এত কাজ পড়েছে যে আকাশটাকে কেচে দেয় ?   সারাদিন সূর্যের ইন্ত্রি দিয়ে বিরাট নীল চাদরটা ঘষে ঘষে সমান করে দেয় কার এসব খাটুনি ।   এর উত্তর জানতেন কোপার্নিকাস আর…

Read Moreকে? – নবারুণ ভট্টাচার্য

নীল – নবারুণ ভট্টাচার্য

আমি তোর অকৃত্রিম শুভাকাঙক্ষী, নীল শকুনের ঠোঁট নখ ছিড়েছিল যাকে প্রতিহিংসার ফুল ফুসফুস জুড়ে ফুটে থাকে রক্ত ও স্মৃতির মধ্যে আমি ঠিক খুঁজে নেব মিল আমি তোর অকৃত্রিম শুভাকাঙক্ষী, নীল। আমার দেশের রাত্রি বারুদের মতো ছোঁয়া যায় নীল সেই আশ্চর্য…

Read Moreনীল – নবারুণ ভট্টাচার্য

১৯৮৪-র কলকাতা – নবারুণ ভট্টাচার্য

আমার ঠোঁটের মধ্যে, আমার বুকের গভীরে ঝড়ের অতল শব্দ, পাতা উড়ে যাওয়া ধাতব শহরে একা, রোবটের শ্বাসরুদ্ধ ভিড়ে ভীষণ চিৎকার করি, গলার ঝিল্লি যায় ছিঁড়ে বোমার ঝলক, আলো, ফেটে পড়ে হাওয়া আমার ঠোঁটের মধ্যে, আমার বুকের গভীরে ওলট পালট খেয়ে…

Read More১৯৮৪-র কলকাতা – নবারুণ ভট্টাচার্য

দুটি প্রাথমিক প্রশ্ন – নবারুণ ভট্টাচা

অনেক গ্রামবাসী তাদের চারজন কমরেডের মৃতদেহর জন্যে শহরতালুকের মর্গের বাইরে সকাল থেকে বসে আছে। একজন শ্রমিক হায় কি দুর্বল তার ইউনিয়ন রেললাইনের দিকে তাকিয়ে ভাবছে আত্মহত্যা করলে কি বাঁচা যাবে? অনেকগুলো বাচ্চা পোস্টারের কাগজ আর প্যাকিংবাক্সের ঘরে খেলে খেলে একসময়…

Read Moreদুটি প্রাথমিক প্রশ্ন – নবারুণ ভট্টাচা

কবিকল্পলতা অনলাইন প্রকাশনীতে কবিতার আড্ডায় আপনার স্বরচিত কবিতা ও আবৃত্তি প্রকাশের জন্য আজ‌ই যুক্ত হন।