দশেরার চাঁদ দোল খেলো বাদাম গাছের প্রথম শাখায়।
আর তখনই
চতুর্দিকে দেববালকের হাতে অনিবার্য বেজে উঠল হাজার মাদল;
কাঠফুঁইয়ের খোঁপা থেকে টুপটাপ ঝরে পড়ল অজস্র কুসুম
তোমার মুখের মত নম্র । তারই সুগন্ধ নিয়ে বাতাস
আদি পুরোহিত ঝোপঝাড় মধ্যে জাগিয়ে দিলো । অতএব চল
সখি, এই তো সময়। অন্তরালে আমায় এবার
শুভ্র বস্ত্রখণ্ড দান কর দশেরার পবিত্র উৎসবে
হাত ধরে নিয়ে চলো দশ হাজার সুরসুন্দরীর
অবিরত ঢেউতোলা বৃত্তের প্রাঙ্গণে । এতকাল খেলেছি প্রখর ।
এবার ঈশ্বরী তুমি, আমার গোপন সিন্দুক ভেঙে
আমার সমস্ত কোমল রত্ব হাতে তুলে দাও
সেসব তোমারই ছন্দোময় জঙ্ঘায় পুষ্পাঞ্জলি দেব।
আমার শিথিল হাত তোমার কোমর ছুঁয়ে নিতম্বে লম্বিত হলে
আদিম প্রাণের ডাক বেজে উঠবে স্নায়ুর কোটরে
রক্তবিন্দু জলে উঠবে তরল স্পৃহায়
কিশোর-কিশোরী হয়ে চলে যাবো শিশুশালের বেড়া দেওয়া
কাগুন্দার ঝোপে