মেঘের নীচে লাইন পাতা। ট্রেনে চলে না।
সকাল থেকেই দিচ্ছে হাওয়া ইচ্ছেবুড়ি
হাত বাড়িয়ে বর্ষাকালের মিছরি কেনা…
মনখারাপের সাক্ষী কেবল ইলশেগুড়ি।
জানলা খােলা, ভিজছে শহর ঝমঝমিয়ে
তােমার খেলা ভাঙার কথা, মেঘ কি জানে?
আজ বাদে কাল পরশু আসছে। নাছােড় বিয়ে।
কাদের যেন ট্রেন চলে যায় আকাশপানে…
আকাশে মা থাকেন তােমার। অনেকদিনই।
খবর পাঠান ভালমন্দ রান্না হলে…।
হাতা বাড়িয়ে বর্ষাকালের কাবাবচিনি
তুমিই বলল, খুব সহজে পায় সকলে?
যে যায় তাকে যেতে দেওয়াই সবচে’ ভাল।
যে থাকে, তার থাকতে পারাই আসল কথা।
পাখির বাসায় দু’এক কুচি রঙিন পালক…
মানুষই তার নাম রেখেছে বিষন্নতা।
মায়ের কথা মনে পড়ছে। ঘা-এর কথা।
মনে পড়ছে শেষ চিঠিটা কেমন কঠিন…
মেহেন্দিরং সন্ধে শােনায় লগ্ন ছটা
বর্ষাকালের মারুবেহাগ, সমস্তদিন…
পারলে কাঁদো, কোলবালিশের শরীর ভেজাও
পারলে ভাঙো একটা দুটো কাচের চুড়ি
মেঘের নীচেই লাইন পাতা। আড়ালে যাও
মনখারাপের সাক্ষী থাকুক ইলশেগুড়ি…