
উঠতে বসতে বাবা হাঁকেন,
“বলবো তোকে কি আর।
হতেই হবে তোকে দেশের
মস্ত ইঞ্জিনিয়ার।”
মা তাই শুনে কন, “খোকা, তুই
আমার কথা রাখ,
ডাক্তারিতে হয় যেন তোর
দেশজোড়া নামডাক।”
জ্যেঠু বলেন, “কি হবি তুই,
আমি সেটা জানি,
তুই হবি এক নোবেলজয়ী,
বিখ্যাত বিজ্ঞানী।”
একইসঙ্গে সবাই বলেন,
“অন্য কিছু নয়,
এবার তোকে হতেই হবে
ইস্কুলে ফার্স্ট বয়।”
আমার ইচ্ছে ঘুড়ি উড়াই,
লাট্টু ঘুরাই, আর
ক্রিকেট খেলি, সাঁতরে করি
মস্ত দীঘি পার।
কিন্তু সেইসব করতে গেলেই
সবাই আসেন তেঁড়ে।
সবাই বলেন, “মন দে পড়ায়,
এখ্খুনি সব ছেড়ে।
কি আর বলবো! এখন আমার
অবস্থাটাই এই-
লেখায় পড়ায় দিন কেটে যায়,
কিচ্ছু খেলা নেই।
এক একজনের এক এক ইচ্ছে,
সবাই দিচ্ছেন তাড়া।
তারফলে ভাই, আমার নিজের
ইচ্ছে গেছে মারা।