
তোমার সমীপে যেতে নষ্ট হল সমস্ত জীবন
পাশপোর্টহীন একা অনাগরিকের বহিষ্কারে ;
শূন্যের ঘণ্টার আজো প্রতিধ্বনি প্ৰহত এমন
তোমারই আশ্রয় খোঁজে অনিদ্রার রাত্রির কান্তারে।
কী জানি কী অপরাধে অর্ধপথে ধ্বসে গেল সেতু,
নিশ্চিত কক্ষের বাইরে আঁকি ব্যর্থ দীর্ঘ প্যারাবোলা,
নেই তিথি, ঋতু, স্মৃতি, এ অস্তিত্ব যেন বা অহেতু,
সঙ্গীহীন অন্ধকারে ব্রাত্য এই দগ্ধ অগ্নিগোলা ।
অথচ কতো-যে গেল সামান্য এ সঞ্চয়ে আমার
যতো তার তাম্রমুদ্রা অশ্রু ততো, অন্ন-কান্না মিশে
এমন আহুতি, এই রক্তের মথিত অন্তঃসার
কালের পশুর গ্রাসে লুপ্ত হয়ে ঝরছে পুরীষে।
নগরীর বাইরে আজো বসে আছি, হৃদয়ভিধারী,
ঢালো ওষ্ঠে সুধা, প্রেম, কিংবা খোলো অগ্নি-তরবারী।