বিষ্ণু দে

প্রত্যাবর্তন (আহা ষড়ঋতু! বনভবন!) – বিষ্ণু দে

(র‍্যাঁবো)   আহা ষড়ঋতু! বনভবন! কোন সে চিত্ত নিস্খলন?   সুখ–তা ইন্দ্রজালবরে আনি আমি প্রতি ঘরে ঘরে;   সম্ভাষি তাকে কলরবে প্রভাতী শিখীরা ডাকে যবে।   তার নির্দেশে আজ যে যাই, সব লিপ্সাই নিভেছে তাই।   সঁপে দিই তাকে শরীর…

Read Moreপ্রত্যাবর্তন (আহা ষড়ঋতু! বনভবন!) – বিষ্ণু দে

অতিক্রম (রাত্রির বিশাল মুখ বাতায়নে উঁকি দেয় কালো) – বিষ্ণু দে

রাত্রির বিশাল মুখ বাতায়নে উঁকি দেয় কালো, একাকী রয়েছি বসে অরণ্যের বাংলোর ঘরে। আকাশে নেইকো আলো, পৃথিবীর নিভে গেছে আলো অরণ্যের অন্ধকার ছুটে আসে ঝাঁকে ঝাঁকে ঘরে। অন্ধকার সমুদ্রের মাঝে আমি ডুবে আছি একা। কণ্টকিত অন্ধকারে চেতনায় অবসাদ ক্ষরে। এ…

Read Moreঅতিক্রম (রাত্রির বিশাল মুখ বাতায়নে উঁকি দেয় কালো) – বিষ্ণু দে

রাত্রিশেষে (আকাশের দুর্গে নেই পলাতকা অমাবস্যা আজ) – বিষ্ণু দে

আকাশের দুর্গে নেই পলাতকা অমাবস্যা আজ। সমুদ্রের স্নায়ু আজ অবসন্ন—মরেছে জোয়ার, তন্দ্রাহত পরাজিত পলাতক ঢেউয়ের সওয়ার। আজ আর প্রেম নয়—নিদ্রাহীন অন্ধকার আজ।   চিত্তের সমুদ্র আজ শান্ত স্থির বিম্ববতীদিঘি, নক্ষত্রদেয়ালি নেই, গোধূলির দেহহীন আলো। এ আলোতে আমি আছি, আর আছে…

Read Moreরাত্রিশেষে (আকাশের দুর্গে নেই পলাতকা অমাবস্যা আজ) – বিষ্ণু দে

ছেদ (আমার হৃদয় হিম-অবজ্ঞায় করেছি বিকল) – বিষ্ণু দে

আমার হৃদয় হিম-অবজ্ঞায় করেছি বিকল। কানে করে হাহাকার দেউলিয়া উত্তরের হাওয়া। বনের কিনারে মোর বাংলোর দুইখানি ঘরে বানপ্রস্থ বরিয়াছি—ছিঁড়িয়াছি তোমার শিকল। দুর্ভিক্ষ করেছি দূর—শরীর ও হৃদয়ের চাওয়া। আমার হৃদয়ে আজ বনানীর নিস্তব্ধতা ঝরে।   হেথা নাই অপমান ব্যর্থতার জ্বালা মূর্খতার।…

Read Moreছেদ (আমার হৃদয় হিম-অবজ্ঞায় করেছি বিকল) – বিষ্ণু দে

উর্বশী ও আর্টেমিস (সন্ধ্যার বর্ণের ছটা রয়েছে তো তবু) – বিষ্ণু দে

Glory and loveliness have passed away—   সন্ধ্যার বর্ণের ছটা রয়েছে তো তবু, তবু তো আকাশে ছুটে চলে শব্দময়ী অপ্সররমণী ঝঞ্ঝামদরসে মত্ত শত বলাকার পক্ষধ্বনি। পুরূরবা নেই আর— ক্লান্ত স্থির আকাশের বুকে দূরগামী সূর্য আজো ঢেলে দেয় তবু গলন্ত তামার…

Read Moreউর্বশী ও আর্টেমিস (সন্ধ্যার বর্ণের ছটা রয়েছে তো তবু) – বিষ্ণু দে

সন্ধ্যা (বামদিকে গিরিশৃঙ্গ আকাশকে করেছে আহত) – বিষ্ণু দে

বামদিকে গিরিশৃঙ্গ আকাশকে করেছে আহত, শ্যামাঙ্গী দিতিকে যেন মুষ্টি তোলে ক্ষিপ্ত দৈত্যশিশু। দুরন্ত পর্বতচূড়া চোখকে সে এড়াতে চায় যে মানুষের মাঠ ফেলে—আমারই এ হৃদয়ের মতো!   অন্যদিকে বেয়ে চলে অন্তহীন ঘন অরণ্যানী, মানুষেরও দেখিনি তো অন্তহীন এত ঘন ভিড়। মানুষের…

Read Moreসন্ধ্যা (বামদিকে গিরিশৃঙ্গ আকাশকে করেছে আহত) – বিষ্ণু দে

কবিকল্পলতা অনলাইন প্রকাশনীতে কবিতার আড্ডায় আপনার স্বরচিত কবিতা ও আবৃত্তি প্রকাশের জন্য আজ‌ই যুক্ত হন।