
দুই দিকে বন, মাঝে ঝিকিমিকি পথ ;
এঁকে বেঁকে চলে প্রকৃতির তালে-তালে।।
রাতের আলােয় থেকে-থেকে জ্বলে চোখ,
নেচে লাফ দেয় কচি-কচি খরগােশ।
নিটোল টিলার পলাশের ঝােপে দেখেছি?
হঠাৎ পুলকে বনময়ূরের কথক,
তাঁবুর ছায়ায় নদীর সােনালি সেতারে।
মিলিয়েছি তার সুষমা।
চুপি-চুপি আসে নদীর কিনারে, জল খায়
শুনেছি সিন্ধুমুনির হরিণ-আহ্বান।
চিতা চলে গেল লুব্ধ হিংস্র ছন্দে ।
বন্য প্রাণের কথাকলি বেগ জাগিয়ে।
কোথায় সে বন, বসতিও কৈ বসেনি,
শুধু প্রান্তর শুকনাে হাওয়ার হাহাকার।
জঙ্গল সাফ, গ্রাম মরে গেছে, শহরের
পত্তন নেই, ময়ূর মরেছে পণ্যে।
কেন এই দেশে মানুষ মৌন অসহায়?
কেন নদী গাছ পাহাড় এমন গৌণ?
সারাদেশময় তাঁবু ব’য়ে কত ঘুরব?
পরবাসী কবে নিজবাসভূমি গড়বে?