পূর্ণেন্দু পত্রী

আমি কি ধরিত্রীযোগ্য – পূর্ণেন্দু পত্রী

আমি কি ধরিত্রীযোগ্য? এই প্রশ্নে কেঁপে ওঠে তার অসুখের ঘূণ-লাগা শরীরের অসি’-মজ্জা হাড়। তাকে ঘিরে আছে মেঘ তাকে ঘিরে ব্যাধের উল্লাস। অক্ষর অন্বিষ্ঠ তার, হাতের মুঠোয় মরা ঘাস।   প্রকৃতির হাত থেকে মানুষ নিয়েছে কেড়ে নিজের থাবায় সংক্রামক কুয়াশা ও…

Read Moreআমি কি ধরিত্রীযোগ্য – পূর্ণেন্দু পত্রী

তোমার মুখের দিকে – পূর্ণেন্দু পত্রী

প্রণাম করব। কিন্তু পা কই? আগুনে ও হিমজলে পা ডুবিয়ে এখনো তো তাঁর অফুরাণ হাঁটা বরণ করব। কিন্তু কই সে শব্দদল যা ছুঁতে পারে তাঁর বোধের এলাকা?   তাহলে? জ্বলন্ত সিড়ি ভেঙে ভেঙে শিখরের দিকে যাঁর এগিয়ে চলা, অনুজের অভ্যর্থনা…

Read Moreতোমার মুখের দিকে – পূর্ণেন্দু পত্রী

আগুনে আঙুল রেখে – পূর্ণেন্দু পত্রী

আগুনে আঙুল রেখে ঠায় বসে আছি কেউ ডাকলে যাতে সাড়া পায়।   ঘরের বাইরে গোল সার্কাসের মাঠ। নিরাপত্তা-বিধায়ক যথারীতি ভেজানো কপাট।   কবে বৃষ্টি হয়েছিল তারই বাসি গন্ধ শোঁকে মাটি। বুদ্ধিজীবী বাতাসের চতুষ্পাঠী চেপেছে নিলামে। মুখ-আঁটা গোপনীয় খামে চিঠি চালাচালি…

Read Moreআগুনে আঙুল রেখে – পূর্ণেন্দু পত্রী

পাহাড় গন্তব্য ছিল – পূর্ণেন্দু পত্রী

বইয়ের উপর থেকে ধুলো মুছে নিলে আরো ধুলো রয়ে যায় অক্ষরের স্থাপত্যকে ঘিরে। ফলে ব্যাঙই সাপ খায় গিলে।   মানুষ যেযার মতো চোখে-ধুলো ব্যাখ্যা দিতে জানে, সূর্য, শিল্প, শ্রম, শান্তি, শস্য বা সংহতি আগুন-বীজের মতো এইসব মহাপ্রাণ শব্দেরও সহজতর মানে।…

Read Moreপাহাড় গন্তব্য ছিল – পূর্ণেন্দু পত্রী

তোমারই সঙ্গে – পূর্ণেন্দু পত্রী

তোমারি সঙ্গে যুদ্ধ প্রহরে প্রহরে তোমারই সঙ্গে সন্ধি, তোমারই মূর্তি নির্মাণে আমি নিজেকে করেছি পাথর চূর্ণ। সর্বনাশের পাশা নিয়ে খেলা দুজনের, অথচ লক্ষ্য শান্তি। আক্রমণের তীর ও ধনুকে জ্বলছে ক্ষমার সৌরদীপ্তি।   তোমার মৃত্যু যখন আমার কান্নায় তুমি উল্লাসে পদ্ম,…

Read Moreতোমারই সঙ্গে – পূর্ণেন্দু পত্রী

কবিকল্পলতা অনলাইন প্রকাশনীতে কবিতার আড্ডায় আপনার স্বরচিত কবিতা ও আবৃত্তি প্রকাশের জন্য আজ‌ই যুক্ত হন।