
অন্ধবিলাপ – শঙ্খ ঘোষ
ধৃতরাষ্ট্র বললেন : ধর্মক্ষেত্রে রণক্ষেত্রে সমবেত লোকজনেরা সবাই মিলে কী করল তা বলো আমায় হে সঞ্জয় অন্ধ আমি দেখতে পাই না, আমিই তবু রাজ্যশিরে কাজেই কোথায় কী ঘটছে তা সবই আমায় জানতে হবে সবই আমায় বুঝতে হবে…

ধৃতরাষ্ট্র বললেন : ধর্মক্ষেত্রে রণক্ষেত্রে সমবেত লোকজনেরা সবাই মিলে কী করল তা বলো আমায় হে সঞ্জয় অন্ধ আমি দেখতে পাই না, আমিই তবু রাজ্যশিরে কাজেই কোথায় কী ঘটছে তা সবই আমায় জানতে হবে সবই আমায় বুঝতে হবে…

ছিটকিনি খুলে অক্ষরগুলি বেরিয়ে পড়েছে পথে আজ সারারাত বেলেল্লা নাচ হবে কানায় কানায় উপচে পড়ছে আপ্লুত আহ্লাদ জানলা দিয়ে দেখি শেকল গড়িয়ে আসছে পায়ে পায়ে বেঁধে নিচ্ছে তালবেতাল টান শপাং শব্দে ঢেউ উঠছে ঢেউ উঠছে ছত্রিশ ব্যঞ্জনে অঙ্কশায়ী স্বরধ্বনিগুলি বলছে…

বলিনি কখনো? আমি তো ভেবেছি বলা হয়ে গেছে কবে। এভাবে নিথর এসে দাঁড়ানো তোমার সামনে সেই এক বলা কেননা নীরব এই শরীরের চেয়ে আরো বড়ো কোনো ভাষা নেই কেননা শরীর তার দেহহীন উত্থানে জেগে যতদূর মুছে নিতে জানে দীর্ঘ…

হয়তো এসেছিল। কিন্তু আমি দেখিনি। এখন কি সে অনেক দূরে চ’লে গেছে? যাব। যাব। যাব। সব তো ঠিক করাই আছে। এখন কেবল বিদায় নেওয়া, সবার দিকে চোখ, যাবার বেলায় প্রণাম, প্রণাম! কী নাম? আমার কোনো নাম তো…

হাতের উপর হাত রাখা খুব সহজ নয় সারা জীবন বইতে পারা সহজ নয় এ কথা খুব সহজ, কিন্তু কে না জানে সহজ কথা ঠিক ততটা সহজ নয়। পায়ের ভিতর মাতাল, আমার পায়ের নিচে মাতাল, এই মদের কাছে…

সূয্যি নাকি সত্যি নিজের ইচ্ছেয় ডুব দিয়েছে? সন্ধ্য হলো? দুচ্ছাই! আকাশ জুড়ে এক্ষুনি এক ঈশ্বর চমকে দেবেন লক্ষ্য রঙের দৃশ্যে। লক্ষ্য, বা তা হতেও পারে একশো- কেউ বা খুলে দেখেছে রঙের বাক্স! আমরা কি আর দেখতে…