বিবিধ কবিতা

বাইশে শ্রাবণ, ১৩৪৮ — যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত

মেঘচাপা পূর্ণিমা, আর সারি-সারি মুখঢাকা রুদ্যমান আলোয় শহরের নিষ্প্রদীপ রাত শ্রাবণ-সমাচ্ছন্ন। আলো নিবল, রাত কাটল, পূর্ণিমা ছাড়ল, কিন্তু প্রভাতের কপালে আজ আর সূর্য উঠল না। এমনি দিনেই, এমনি শ্রাবণঘন গহন মোহে,— কাননভূমি যখন কূজনহীন, সকলের ঘরে যখন দুয়ার দেওয়া,— একেলা…

Read Moreবাইশে শ্রাবণ, ১৩৪৮ — যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত

নিজের রবীন্দ্রনাথ – জয় গোস্বামী

সেটা ছিল বাইশে শ্রাবণ, একটি স্কুলে গেছি রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে কিছু বলতে। ছোটরা তাদের উৎসুক চোখ নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে, হঠাৎ মনে হলো, কি বলব – যা বলব তাই যদি এদের কাছে ভুল প্রমাণিত হয় পরে – রবীন্দ্রনাথ তো কোন স্কুলপাঠ্য অঙ্ক…

Read Moreনিজের রবীন্দ্রনাথ – জয় গোস্বামী

একুশ বছর – প্রমোদ বসু

এসো,কতদিন পরে এলে,তোমাকে কোথায় বসাই ভারি ছোট্ট ঘর, সোজা হয়ে দাঁড়ালে মাথায় আকাশ ঠেকে, দুদিকে হাত বাড়ালেই মানুষ,সাজানো গেরস্থালি।   এই আমার রাংচিতের বেড়া, এই আমার রজনীগন্ধার ঝোপ ; এখানে রোদ্দুর আসে, প্রতিদিন প্রথম রোদ্দুর! এইখানে খেলা করে চড়াই –…

Read Moreএকুশ বছর – প্রমোদ বসু

আকাশতীরের বন্ধু – জয় গোস্বামী

মুকুল যখন ভাসে তখন হাতের পাতায় দু একটি জলবিন্দু এসে মার্জনা চায়   দু একটি জলবিন্দু তখন চোখের আলোয় দুর্বল সেই দীপকে বলে! “আমায় জ্বালো!”   জ্বালতে গিয়ে দীপ নিজেকেই জ্বালায় পোড়ায় পুড়তে পুড়তে আকাশতীরের বন্ধুকে পায়   বন্ধু তাকে…

Read Moreআকাশতীরের বন্ধু – জয় গোস্বামী

সন্ন্যাসী – তিলোত্তমা মজুমদার

অস্তে যাবার আগে চাঁদ আমার জানালার কাছে দাঁড়ায় মাধুকরী করে আমি ওকে ফলমুল দিই পিঠেপায়েস রাখি ওর জন্য আর তার আগে ঘুম পাড়িয়ে দিই আমার স্বামীকে চোখে চুমু দিয়ে বন্ধ করে দিই এমন যাতে ভোর অবধি ঘুমোয়   ওর চোখের…

Read Moreসন্ন্যাসী – তিলোত্তমা মজুমদার

রাত্রি হোক বনে – তিলোত্তমা মজুমদার

চলো নির্জনে দাঁড়াই একটি কথাও না বলে হাত ধরে থাকি পরস্পর চলো নির্জনে দাঁড়াই কাঠি দিয়ে আঁকিবুকি বালিতে বালিতে ছোট-ছোট নুড়ি ফেলি জলে ভেজা পা দুটি আমার কোলে তুলে দাও আমি ঘাসের কণায় ঢেকে দিই ঢেকে দিই আমার ঈর্ষাও খোলা…

Read Moreরাত্রি হোক বনে – তিলোত্তমা মজুমদার