সামাজিক কবিতা

রতি — শ্বেতা চক্রবর্তী 

নিজেকে শ্রদ্ধা করতে আমি পরি গাঢ় রঙের শাড়ি, ঠোঁটে দিই বাঁধভাঙা লিপস্টিক, নিজেকে শ্রদ্ধা করতে আমি দুচোখে কাজল লেপি যেন অশোকগাছের কাণ্ড এফোঁড় ওফোঁড় করে চলে গেল বিষ্ণুচরণের দামাল তিরটি, একটুও কি কষ্ট হয় নি গাছের? আমারই মতন?   নিজেকে…

Read Moreরতি — শ্বেতা চক্রবর্তী 

হামাগুড়ি — শঙ্খ ঘোষ

ঘুমটা ভেঙ্গে গেল হঠাৎ। বাইরে কি ঝড় হচ্ছে? দাপাদাপি করছে জানলার পাল্লাদুটো, মাঝে মাঝে বিজলি ঝলকাচ্ছে। ফের শুয়ে পড়তে গিয়ে সেই বিদ্যুতের ছটফটে আলোয় মনে হল ঘরের মধ্যে যেন হামা দিচ্ছে কেউ।   -‘কে ওখানে? কে?’ হামা কোনো শব্দই করে…

Read Moreহামাগুড়ি — শঙ্খ ঘোষ

মফস্বল ও একটি ভাঙা পরিবার — শ্বেতা চক্রবর্তী 

মা   বেকার ছেলের সঙ্গে যেইদিন ঘর ছাড়লাম, তুমি যেন সব বুঝে নিশ্চুপে উঠে গেলে তেতলার ঠাকুরঘরেতে; সেদিন বিষ্যুদবার ছিল,অথৈ শ্রাবণমাস,সুর করে লক্ষ্মীর পাঁচালি সেদিনও তোমার সম্পদ; নীচে নেমে দেখেছিলে জামা-শাড়ি কিছুই নিইনি, বইয়ের তাকটি শুধু ফাঁকা ফাঁকা লেগেছিল খুব,…

Read Moreমফস্বল ও একটি ভাঙা পরিবার — শ্বেতা চক্রবর্তী 

আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি – শঙ্খ ঘোষ

আমাদের ডান পাশে ধ্বস আমাদের বাঁয়ে গিরিখাদ আমাদের মাথায় বোমারু পায়ে পায়ে হিমানীর বাঁধ আমাদের পথ নেই কোনো আমাদের ঘর গেছে উড়ে আমাদের শিশুদের শব ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে! আমরাও তবে এইভাবে এ-মুহূর্তে মরে যাব না কি ? আমাদের পথ…

Read Moreআয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি – শঙ্খ ঘোষ

হুলিয়া (কবিতা) – নির্মলেন্দু গুণ

আমি যখন বাড়িতে পৌঁছলুম তখন দুপুর, আমার চতুর্দিকে চিকচিক করছে রোদ, শোঁ শোঁ করছে হাওয়া। আমার শরীরের ছায়া ঘুরতে ঘুরতে ছায়াহীন একটি রেখায় এসে দাঁড়িয়েছে৷ কেউ চিনতে পারেনি আমাকে, ট্রেনে সিগারেট জ্বালাতে গিয়ে একজনের কাছ থেকে আগুন চেয়ে নিয়েছিলুম, একজন…

Read Moreহুলিয়া (কবিতা) – নির্মলেন্দু গুণ

অবনী স্যার – শুভ দাশগুপ্ত

ছাত্র পড়ানোয় অবনী স্যারের খ্যাতি ছিল খুব। দূর দূর থেকে ছাত্ররা আসত অবনী স্যারের কাছে অংক ফিজিক্স কেমিস্ট্রি পড়তে। উজ্জ্বল গৌর বর্ণ, দীর্ঘ নাশা, পৌরাণিক যুগের ব্রাহ্মণের মতো দৈব চেহারা ছিল অবনী স্যারের । পরনে একটা ধুতি, আর খালি গায়ে…

Read Moreঅবনী স্যার – শুভ দাশগুপ্ত