কদিন আগে যে আগরতলার মাটিতে, হাঁটাহাঁটি করেছি
আজ সকালের দিকে আগরতলার মানচিত্রে হাঁটতে গিয়ে দেখি
কোথায় গেল সেই জলাশয়, সেই ফিঙেটি
জলাশয় এবং ফিঙে না থাকলেও দূর থেকে দেখতে পাচ্ছি
একটা এয়ারোড্রাম, তার ডানায় কিছু একটা লেখা আছে
আরো দূর থেকে দেখতে পাচ্ছি একটা রবার বাগান
কিন্তু আদতে মানচিত্রে তো এতসব দ্যাখা যায়না
যাঁদের চোখের ভেতরে আরো একটা চোখ থাকে, তাঁরাই
দেখতে পান
আমার ডানচোখের রেটিনায় ছিদ্র আছে, যার ডাকনাম ফুটো, আমি
বাঁচোখ দিয়েই সব দেখি
বাঁদিকের রাস্তা, ডানদিকের জলাশয়, ঊর্দ্ধ-আকাশের ফিঙে
আর রাস্তার উপর পড়ে থাকা কোনো একটা ছিপি
সবই দেখি বাঁচোখ দিয়ে
আমার বাঁচোখের ভিতরে আর কতগুলো চোখ আছে কখনও গুনে দেখিনি
(২)
অনুপম বলেছিল – আপনি তো ফেসবুকে হাঁটাহাঁটি করতে পারেন
কথাটা শুনতে যতটা মধুময়
কিন্তু বাস্তবে ততটাই লৌহবৎ
কেননা ফেসবুকে হাঁটার জন্য যে কোয়ালিটির পা প্রয়োজন
আমার পা সেরকম নয়
শৈশব থেকেই আমার পা বাটা-র জন্য উৎসর্গীকৃত
বাটা থেকে চেষ্টা করে টাটা পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব
কিন্তু ফেসবুক
তাছাড়া ফেসবুকের জন্য যে ফেসলুক প্রয়োজন
সেই দেখাও আমার নেই
তাহলে, দেখাব কী