
আকাশের জন্য (কবিতা) – অপূর্ব দত্ত
একের পরে দুই ইচ্ছে করে আকাশ তোমায় একটুখানি ছুঁই। তিনের পরে চার সত্যি করে বলো দেখি আকাশ তুমি কার। পাঁচের পর ছয় মা বলেছে আকাশ নাকি সবার বন্ধু হয়। সাতের পরে আট এ নাও আকাশ তোমায় দিলাম ভুবন ডাঙার মাঠ।…

একের পরে দুই ইচ্ছে করে আকাশ তোমায় একটুখানি ছুঁই। তিনের পরে চার সত্যি করে বলো দেখি আকাশ তুমি কার। পাঁচের পর ছয় মা বলেছে আকাশ নাকি সবার বন্ধু হয়। সাতের পরে আট এ নাও আকাশ তোমায় দিলাম ভুবন ডাঙার মাঠ।…

হু আর ইউ? ‘ইংরিজি জানি না যে, ভেউ-ভেউ-ভেউ…’ ডোন্ট ক্রাই প্লিজ ‘কী যে ছাই বলছেন হিজিবিজবিজ্’ মাই বয়, আই ডোন্ট লাইক এ ফুল। ‘আমিও যে চোখে দেখি সরষের ফুল!’ ডোন্ট গেট নার্ভাস, লিশন টু মি ‘কী সাহসে…

আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা, ফুল তুলিতে যাই ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই। মামার বাড়ি পদ্মপুকুর গলায় গলায় জল, এপার হতে ওপার গিয়ে নাচে ঢেউয়ের দল। দিনে সেথায় ঘুমিয়ে থাকে লাল শালুকের ফুল, রাতের বেলা চাঁদের সনে হেসে না…

এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে, চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে। কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতারবিলে, আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে। দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা গেল উড়ে, কান না পেলে চার দেয়ালে মরব…

এক যে ছিল বিদ্যাসাগর ভীষণ বাজে লোক বলতো কিনা বিধবাদের আবার বিয়ে হোক ? এক যে ছিল বিদ্যাসাগর দেখতে এলে বেলে চাইতো কিনা লেখাপড়া শিখুক মেয়ে, ছেলে ? এক যে ছিল বিদ্যাসাগর দেমাকধারী ধাত্ সাহেব যদি জুতো দেখায় বদলা…

তোমরা যদি ফুলের মতো ফুটতে পারো নদীর মতো ছুটতে পারো চাঁদের মতো উঠতে পারো বাতাস হয়ে লুটতে পারো দল বেঁধে সব জুটতে পারো তবে এই পৃথিবী সত্যি মধুর হবে! তোমরা যদি পাখির মতো উড়তে পারো মেঘের মতো ঘুরতে…