জীবনবোধের কবিতা

আরশিতে সর্বদা এক উজ্জল রমনী – পূর্ণেন্দু পত্রী

আরশিতে সর্বদা এক উজ্জল রমণী বসে থাকে। তার কোনো পরিচয়, পাসপোর্ট, বাড়ির ঠিকানা মানুষ পায়নি হাত পেতে।   অনুসন্ধানের লোভে মুলত সর্বতোভাবে তাকে পাবে বলে অনেক মোটর গাড়ি ছুটে গেছে পাহাড়ের ঢালু পথ চিরে অনেক মোটর গাড়ি চুরমার ভেঙে গেছে…

Read Moreআরশিতে সর্বদা এক উজ্জল রমনী – পূর্ণেন্দু পত্রী

মানুষের কেউ কেউ – পূর্ণেন্দু পত্রী

সবাই মানুষ থাকবে না। মানুষের কেউ কেউ ঢেউ হবে, কেউ কেউ নদী প্রকাশ্যে যে ভাঙে ও ভাসায়। সমুদ্র সদৃশ কেউ, ভয়ঙ্কর তথাপি সুন্দর। কেউ কেউ সমুদ্রের গর্ভজাত উচ্ছৃঙ্খল মাছ।   কেউ নবপল্লবের শুচ্ছ, কেউ দীর্ঘবাহু গাছ। সকলেই গাছ নয়, কেউ…

Read Moreমানুষের কেউ কেউ – পূর্ণেন্দু পত্রী

প্রশ্ন – পূর্ণেন্দু পত্রী

ছটাক খানেক বুকে, একটা গোটা আকাশ এবং জলের স্থলের গা ভর্তি রং সব পড়েছে ঝুঁকে। কাকে কোথায় রাখি? বুকের মধ্যে হেসে উঠল শিকল-পরা পাখি।

Read Moreপ্রশ্ন – পূর্ণেন্দু পত্রী

আমাদের কেউ আর কারো চোখে রাখিনাতো চোখ – সাদাত হোসাইন

আমাদের কেউ আর কারো চোখে রাখিনাতো চোখ, হেঁটে যাই দূর কোনো পথে, ভেবে নেই ওখানেই আনন্দলোক। আমাদের ফেলে আসা পথে, জমে থাকে স্মৃতি, জেগে ওঠে বিষাদের বিবর্ণ ঘাস, উত্তুরে হাওয়া এসে তিরতির ছুঁয়ে দেয় গোপানে লুকিয়ে রাখা দীর্ঘশ্বাস! আমাদের কেউ…

Read Moreআমাদের কেউ আর কারো চোখে রাখিনাতো চোখ – সাদাত হোসাইন

আমার হেঁটে যাওয়া পথে – সাদাত হোসাইন

আমার হেঁটে যাওয়া পথে একটা মাটির ঢেলা আচমকা পা মচকে দিয়ে বলল, ‘তোমার চোখ চায় না তুমি এই পথে হাঁটো। তাইতো সে ইচ্ছে করেই আমায় দেখল না। কেমন বেখাপ্পা পা ফেলল আমার ওপর’।   আমি চোখকে জিজ্ঞেস করতেই সে বলল,…

Read Moreআমার হেঁটে যাওয়া পথে – সাদাত হোসাইন

মানুষের মৃত্যু হ’লে (কবিতা) – জীবনানন্দ দাশ

মানুষের মৃত্যু হ’লে তবুও মানব থেকে যায়; অতীতের থেকে উঠে আজকের মানুষের কাছে প্রথমত চেতনার পরিমাপ নিতে আসে।   আজকের আগে যেই জীবনের ভিড় জমেছিলো তা’রা ম’রে গেছে; প্রতিটি মানুষ তার নিজের স্বতন্ত্র সত্তা নিয়ে অন্ধকারে হারায়েছে; তবু তা’রা আজকের…

Read Moreমানুষের মৃত্যু হ’লে (কবিতা) – জীবনানন্দ দাশ

কবিকল্পলতা অনলাইন প্রকাশনীতে কবিতার আড্ডায় আপনার স্বরচিত কবিতা ও আবৃত্তি প্রকাশের জন্য আজ‌ই যুক্ত হন।