Barsho sesh kobita Shukumar Ray বর্ষ শেষ কবিতা সুকুমার রায়
শুন রে আজব কথা, শুন বলি ভাইরে— বছরের আয়ু দেখ বেশিদিন নাই রে। ফেলে দিয়ে পুরাতন জীর্ণ এ খোলসে নূতন বরষ আসে, কোথা হতে বল সে ! কবে যে দিয়েছে চাবি জগতের যন্ত্রে, সেই দমে আজও চলে না জানি…
শুন রে আজব কথা, শুন বলি ভাইরে— বছরের আয়ু দেখ বেশিদিন নাই রে। ফেলে দিয়ে পুরাতন জীর্ণ এ খোলসে নূতন বরষ আসে, কোথা হতে বল সে ! কবে যে দিয়েছে চাবি জগতের যন্ত্রে, সেই দমে আজও চলে না জানি…
মাগো! প্রসন্নটা দুষ্টু এমন! খাচ্ছিল সে পরোটা গুড় মাখিয়ে আরাম ক’রে বসে— আমায় দেখে একটা দিল ,নয়কো তাও বড়টা, দুইখানা সেই আপনি খেল ক’ষে! তাইতে আমি কান ধরে তার একটুখানি পেঁচিয়ে কিল মেরেছি ‘হ্যাংলা ছেলে’ বলে— অম্নি কিনা মিথ্যা…
ফেব্রুয়ারী মাসে ভাই, কলকাতা শহরে ঘটল ঘটনা এক, লম্বা সে বহরে! লড়াই লড়াই খেলা শুরু হল আমাদের, কেউ রইল না ঘরে রামাদের শ্যামাদের; রাস্তার কোণে কোণে জড়ো হল সকলে, তফাৎ রইল নাকো আসলে ও নকলে, শুধু শুনি ‘ধর’ ‘ধর’…
আকাশের ময়দানে বাতাসের ভরে, ছোট বড় সাদা কালো কত মেঘ চরে। কচি কচি থোপা থোপা মেঘেদের ছানা হেসে খেলে ভেসে যায় মেলে কচি ডানা। কোথা হতে কোথা যায় কোন্ তালে চলে, বাতাসের কানে কানে কত কথা বলে। বুড়ো বুড়ো…
দোলের আনন্দ দোলের আনন্দ। আয় ছুটে হারু, বিশু, আয় ছুটে নন্দ! রং-গোলা রাঙা জলে সারা বেলা খেলা চলে, প্রাণে জাগে গান আজ, গানে দাগে ছন্দ; দোলের আনন্দ। আজকে প্রাণের হোলি, আয় করি গলাগলি, ভুলে গিয়ে দলাদলি,…
খাই খাই করো কেন, এসো বসো আহারে— খাওয়াব আজব খাওয়া, ভোজ কয় যাহারে। যত কিছু খাওয়া লেখে বাঙালির ভাষাতে, জড় করে আনি সব— থাক সেই আশাতে। ডাল ভাত তরকারি ফল-মূল শস্য, আমিষ ও নিরামিষ, চর্ব্য ও চোষ্য, রুটি লুচি,…